17/07/2015
special EID offer for MCX e bike- @ 1,05,000/-
Product Details:
Range(KM) 50-55
Tire : Tubeless tire
wheel size: 130/70-12
Brake: F&R:disc brake
Suspension :
F:Aluminum hydraulic suspension;R:Spring adjustable suspension
Motor: 72V520rpm/1500W
Controller: 72V35A
Battery: 72V20AH SLA battery
Charger: 5 S generation
Weight (include battery: 90kg
Alarm(horn): Iron horn
Head light : 12V/LED
Taillight(brake light): 12V/LED
Turning light(F/R): 12VLED
Function:
LCD display、5th generation CPU charger、LED anti-bullet light、Spring suspension、disc brake、Emergency switch、AL rim、remote alarm、hydraulic suspension fork、tubeless tire
• ইহা দেখতে, আকারে ও দামে একই রকম হলেও, সাধারণ বাইকের তুলনায় ইলেকট্রিক বাইক সহজে তদারকি করা যায় এবং এটি অনেক দ্রুত ত্বরণ নিতে পারে।
• ইলেকট্রিক স্কুটার ক্ষেত্রে মেরামত অনেক কম লাগে, আপনাকে শুধু নিশ্চিত হতে হবে যে ব্রেক প্যাড এবং টায়ারগুলোর অবস্থা ভালো রয়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ বাইকে ক্ষতি থেকে সুরক্ষার জন্য এমন অনেক যন্ত্রাংশ রয়েছে, যা নিয়মিতভাবে মেরামত করতে হয়
• এটি কোন তাপ উৎপন্ন করে না তাই পরিবেশ বান্দব।
• সাধারণ বাইক অনেক দামী হলে ও মাঝে মধ্যে চরম বিরক্তি সৃষ্টি করে যেমন- যখন তখন ষ্টার্ট বন্ধ, তেল, মোবিল চেক করা, চেইন মেরামত, চালু অবস্হায় ক্লাস ধরে রাখা, বার বার গিয়ার পরিবতন করা ইত্যাদি ইলেকট্রিক বাইক এইসব ঝামেলামুক্ত, সহজ ও ঝুকিবিহীন।
• ইলেকট্রিক বাইক খুবই সামান্য শব্দ করে চলে, যা বাংলাদেশের ব্যস্ত রাস্তায় অন্যদের বিরক্তির কারণ হয় না, এসব কারণে ইলেকট্রিক বাইক সাধারণ বাইকের তুলনায় অনেক বেশী পরিবেশ বান্ধব।
• সাধারণ বাইক ইলেকট্রিক বাইকের তুলনায় দ্রুত চলে বিধায় প্রতিনিয়ত দূরঘটনার সন্মুখীন হয়।
• সাধারণ বাইকের তুলনায় ইলেকট্রিক বাইকের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর জ্বালানি সাশ্রয়ের ক্ষমতা। উদাহরণ স্বরূপ, যখন জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পায়, তখন তার তুলনায় বিদ্যুতের দাম অল্প বেড়ে থাকে।
• সাধারণ বাইকের প্রতি কিমি জ্বালানি খরচ ৪ টাকা অন্যদিকে ইলেকট্রিক বাইকের প্রতি কিমি জ্বালানি খরচ ০.১৫ টাকা যা ২২০০% বেশী এই অতিরিক্ত খরচের টাকায় আরো ১টি বাইক কেনা যায়। উদাহারণ সরূপ: আপনি ১,১৫,০০০ টাকায় একটি ইলেকট্রিক বাইক কিনলেন তা সর্বোচ্চ ৪৫,০০০ কিমিঃ চলার পর ব্যাটারী দূর্বল হলে সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা বিনিয়োগে তা আবারো ৪৫,০০০ কিমিঃ চলার জন্যে্ উপযোগী হবে তাতে প্রতি ৪৫,০০০ কিলিঃ (০.১৫ টাকা/কিলিঃ) বিদ্যুৎ খরচ ৬৭৫০/-অন্যদিকে সাধারণ বাইকের (৪ টাকা/কিলিঃ) জ্বালানি তেলের খরচ ১৮০,০০০/- এ খরচে আপনি অনায়াসে আরও একটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক (১৮০০০০-৬৭৫০)=১,৭৩,২৫০/- কেনা সম্ভব।
• এক হিসেবে ৪৫০০০ কিমি: চলার ক্ষেত্রে নতুন বাইকের মূল্যসহ কিমি: প্রতি খরচ মাত্র ২.৪০ টাকা (১০৫০০০+ ৬৭৫০=১১১৭৫০÷৪৫০০০)অন্যদিকে সাধারণ বাইকের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র তেলের খরচ ৪ টাকা/কিমি
• ইলেকট্রিক বাইক রি-সেইল ভেলু না থাকলে ও এর উপকারীতার বলে শেষ করা যাবে না। তাই উন্নত বিশ্বে এর ব্যবহার অনেক বেশী।