B.M Trade International

B.M Trade International All Sale And Supply Best Quality Construction Materials

সিলেট বালি, ময়মনসিংহ দূগাপুর লাল বালি, শুশাং লাল বালি, ছাতকের লাল বালি, সুনামগঞ্জ লাল বালি। Price for inbox.
09/08/2021

সিলেট বালি, ময়মনসিংহ দূগাপুর লাল বালি, শুশাং লাল বালি, ছাতকের লাল বালি, সুনামগঞ্জ লাল বালি।
Price for inbox.

আজকের আয়াত/হাদীসআয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃযে ব্যক্তি আম...
28/07/2021

আজকের আয়াত/হাদীস

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু প্রবর্তন করবে যা তাতে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত। ইবনু ঈসা (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি আমাদের আচার–অনুষ্ঠানের বিপরীত কিছু প্রবর্তন করলে তা বর্জনীয়।

রেফারেন্সঃ
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৬
http://ihadis.com/books/abi-dawud/hadis/4606

আমরা প্রত্যেকে সালাতের ওয়াক্তগুলো জানি তো?জেনে নিন ফরজ সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কেপ্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর জ্ঞান অর্জন ক...
25/07/2021

আমরা প্রত্যেকে সালাতের ওয়াক্তগুলো জানি তো?

জেনে নিন ফরজ সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে

প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। সেটা কী ধরনের জ্ঞান? তা হচ্ছে ইসলামের উপর টিকে থাকার জন্য ও ইসলাম অনুযায়ী জীবন চলার মত মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা। অর্থাৎ আল্লাহর দেয়া বিধিনিষেধ মেনে জীবন পরিচালনার জন্য নূন্যতম যে শিক্ষা বা জ্ঞান অর্জন প্রয়োজন সেগুলো অর্জন করা আমাদের উপর আবশ্যক। যেমনঃ সালাতের মৌলিক বিধিবিধান সম্পর্কে জানা, রোজার মৌলিক বিধিবিধানগুলো জানা, যাকাত, রিবা (সুদ) ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাসিকগুলো অন্তত আমাদের জানতে হবে।

সালাতের মৌলিক বিধিবিধানগুলোর মধ্যে রয়েছে সালাতের ভিতরে ও বাইরের ফরজগুলো। সালাতের ওয়াজিব কী কী? সালাতের সুন্নত-মুস্তাহাব সম্পর্কেও জানা থাকা উচিত। সালাতের ফরজগুলোর মধ্যে রয়েছে শরীর পাক করা, কাপড় পাক করা, সতর ঢাকা। কেউ যদি না জানে যে কাপড় পাক রাখা সালাতের একটা ফরজ। না জেনে নাপাক কাপড়েই যদি নামাজ পড়তে থাকে তাহলে সেই নামাজ শুদ্ধ হবে না। তাই যে বিষয়গুলোর সাথে নামাজ হওয়া-না হওয়ার সম্পর্কে সে বিষয়গুলো আমাদের জানা থাকতে হবে।

সালাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ হচ্ছে "ওয়াক্ত মত সালাত আদায় করা"। অর্থাৎ যখন যে সালাতের ওয়াক্ত হয়, আমাদেরকে তখন সেই সালাতটিই আদায় করতে হবে। "সালাতের ওয়াক্ত" একটি ফরজ বিষয়। তাই সালাতের ওয়াক্তের বিষয়ে আমাদের নূন্যতম জ্ঞান রাখাটা অত্যন্ত জরুরি। নইলে দেখা যাবে ওয়াক্ত হওয়ার আগেই সালাত আদায় করছি, নতুবা ওয়াক্ত পার হয়ে যাওয়ার পর সালাত আদায় করছি। আরেকটি ব্যাপার ঘটতে পারেঃ ওয়াক্ত শেষ মনে করে সালাত ছেড়ে দিচ্ছি যদিও ওয়াক্ত আছে। তাই জানার কোনো বিকল্প নাই।

যদিও আমাদের অ্যাপে ইনশাআল্লাহ আমরা সালাতের সঠিক ওয়াক্ত দেখিয়ে থাকি। তাও আমাদের মূলনীতি বা মূল মাসআলাগুলো জেনে রাখা উচিত। সালাতের ওয়াক্ত নিয়ে আমরা ইউজারদের থেকে প্রচুর প্রশ্নের সম্মুখীন হই। অসংখ্য ইউজাররা আগে থেকে জেনে আসছেন যে "মাগরিবের ওয়াক্ত ১৫-২০ মিনিট থাকে"। যা একটি ভুল ধারনা। এই ভুল ধারণার কারণে দেখা যায় অনেকে মাগরিবের ওয়াক্ত থাকা অবস্থাতেও সালাত ছেড়ে দেন "ওয়াক্ত চলে গিয়েছে" এমনটা মনে করে। তাই আসুন আমরা সালাতের ওয়াক্তগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি। পাশাপাশি অন্যান্য আমল সম্পর্কেও আলেমদের থেকে জেনে নিই।

নিচে সালাতের ওয়াক্তগুলো অতি সংক্ষেপে তুলে ধরা হলোঃ
===============================

- সুবহে সাদিক তথা সাহরির সময় শেষ হলে এরপর থেকে ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয়। সূর্য ওঠা শুরু হলে ফজরের ওয়াক্ত শেষ হয়।

- সূর্য মধ্য আকাশ থেকে যখন পশ্চিমে হেলে পড়ে তখন যুহরের ওয়াক্ত শুরু হয়। আসরের ওয়াক্তের আগ পর্যন্ত যুহরের ওয়াক্ত থাকে। হানাফী মাজহাবের মতে কোনো বস্তুর ছায়ার দৈর্ঘ্য যখন ঐ বস্তুর দ্বিগুণ হয় তখন যুহরের ওয়াক্ত শেষ হয়। অন্যান্য মাজহাবের মতে কোনো বস্তুর ছায়া ঐ বস্তুর সমান হয় তখন যুহরের ওয়াক্ত শেষ হয়। উভয় মতের পক্ষেই হাদীসের দলিল রয়েছে।

- যুহরের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার সাথে সাথে আসরের ওয়াক্ত শুরু হয়। যুহরের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার সময় নিয়ে ইমামদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকায় আসরের শুরুর ওয়াক্ত নিয়েও মতপার্থক্য রয়েছে। হানাফী মাজহাবের মতে কোনো বস্তুর ছায়ার দৈর্ঘ্য তার দ্বিগুণ হলে আসরের ওয়াক্ত শুরু হয়। অন্যান্য মাজহাবের ইমামদের মতে বস্তুর ছায়ার দৈর্ঘ্য ঐ বস্তুর সমান হলেই আসরের ওয়াক্ত শুরু হয়। সূর্যাস্ত বা মাগরিবের ওয়াক্তের আগ পর্যন্ত আসরের ওয়াক্ত থাকে।

- সূর্য পরিপূর্ণ ভাবে অস্তমিত হওয়ার পর মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হয়। ইশার ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত মাগরিবের ওয়াক্ত থাকে। মাগরিবের ওয়াক্ত থাকে শাফাক অদৃশ্য হওয়ার আগ পর্যন্ত। শাফাকের সংজ্ঞা নিয়ে ইমামগণের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। ঘড়ির কাটার হিসাবে ঋতুভেদে মাগরিবের ওয়াক্তের সময় থাকে প্রায় সোয়া ১ ঘন্টা বা এর কিছু কম বা বেশি। লোক মুখে শোনা যায় মাগরিবের ওয়াক্ত ১৫-২০ মিনিট। এ কথাটি সঠিক নয়।

- শাফাক অদৃশ্য হওয়ার পর তথা মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার সাথে সাথে ইশার ওয়াক্ত শুরু হয়। হানাফী ফিকহ অনুযায়ী ইশার ওয়াক্ত থাকে সুবহে সাদিক বা ফজরের ওয়াক্ত শুরুর আগ পর্যন্ত। কিন্তু মধ্যরাতের পর ইশা আদায় করা মাকরুহ। অন্যান্য মাজহাবের আলোকে ইশার শেষ সময় হচ্ছে মধ্যরাত। মধ্যরাত বলতে রাত ১২ টা নয়, বরং মধ্যরাত বলতে বুঝানো হয় সূর্যাস্ত থেকে ফজরের এই পুরো সময়ের middle point-কে। উদাহরনঃ সূর্যাস্ত যদি সন্ধ্যায় ৬টায় হয় আর ফজরের ওয়াক্ত যদি ভোর ৪টায় শুরু হয় তাহলে মধ্যরাত হবে রাত ১১টায়।

ফরজ এবং নফল সালাতের ওয়াক্তগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এখান থেকেঃ
https://hellohasan.com/2021/07/19/ফরজ-নফল-নামাজের-সময়সূচী

আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমৃত্যু ওয়াক্ত মত সালাত আদায়ের তাওফিক দান করুন। আমীন।

ফজর, যুহর, আসর, মাগরিব ও ইশার সালাতের সময়সীমা। এছাড়াও চাশত, ইশরাক বা সালাতুদ দুহা, জাওয়াল, আওয়াবিন ও তাহাজ্জুদ নামাজ...

23/07/2021

আজকের আয়াত/হাদীস

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরাও তাই বলবে।

রেফারেন্সঃ
সহিহ বুখারী ৬১১
http://ihadis.com/books/bukhari/hadis/611

জুমআর দিনের সুন্নাহ ভিত্তিক কিছু আমলফরজ সালাতের পর তাকবীরে তাশরীক যেন না ভুলিজুমআর দিন ৫টি কাজের মাধ্যমে জুমআর নামাজে অং...
23/07/2021

জুমআর দিনের সুন্নাহ ভিত্তিক কিছু আমল

ফরজ সালাতের পর তাকবীরে তাশরীক যেন না ভুলি

জুমআর দিন ৫টি কাজের মাধ্যমে জুমআর নামাজে অংশ নিলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি কদমে কদমে এক বছরের নফল রোজা ও এক বছরের নফল সালাতের সওয়াব দান করেন। সুবহানাল্লাহ!!! অর্থাৎ কারো বাসা থেকে মসজিদের দূরত্ব যদি ১০০ কদম হয়, তাহলে এই পাঁচটা কাজ করলে সে ব্যক্তি ১০০ বছর নফল রোজা ও ১০০ বছর নফল সালাতের সওয়াব পেয়ে যাবে। পাঁচটি কাজ হচ্ছেঃ

১. গোসল করা
২. আগে আগে মসজিদে আসা
৩. পায়ে হেটে মসজিদে আসা
৪. ইমামের কাছাকাছি বসা
৫. অনর্থক কথা না বলে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা

জুমআর দিনে হাদিসে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো এমন:

১. গোসল করা।
২. ফজরের ফরজ নামাজে সূরা সাজদা ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা।
৩. উত্তম পোশাক পরা।
৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা।
৫. আগেভাগে মসজিদে যাওয়া।
৬. সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা। (বৃহস্পতিবার সূর্যাস্ত থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যে কোনো সময়ে)
৭. জুমআ'র সালাতে মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাত সালাত আদায় করা।
৮. ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা।
৯. মনযোগ দিয়ে খুৎবা শোনা। খুৎবা চলাকালে কোনো কথা না বলা।
১০. দুই খুৎবার মাঝের সময়ে বেশি বেশি দুয়া করা।
১১. অন্য সময়ে দুয়া করা। কারণ এদিন দু’আ কবুল হয়।
১৩. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর সারাদিন যথাসম্ভব বেশি দরূদ পাঠ করা।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযূ করল, অতঃপর জুমআর নামাজ পড়তে এল এবং মনোযোগ সহকারে নীরব থেকে খুতবাহ শুনল, সে ব্যক্তির এই জুমআ ও (আগামী) জুমআর মধ্যেকার এবং অতিরিক্ত আরো তিন দিনের (ছোট) পাপসমূহ মাফ করে দেওয়া হল। আর যে ব্যক্তি (খুৎবাহ্ চলাকালীন সময়ে) কাঁকর স্পর্শ করল (অর্থাৎ বেখেয়ালে একটা পরে থাকা পাথর স্পর্শ করল), সে অনর্থক কর্ম করল।’’ (অর্থাৎ সে জুমআর সওয়াব বরবাদ করে দিল।) (মুসলিম)

তাই খুতবা চলাকালীন সময়ে মসজিদের দানবাক্স চালানো, মোবাইলে কোনো কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকা বা কথা বলা সব কিছুই জুমআকে নষ্ট করে দিবে। এমন কি পাশের কেউ কথা বলতে থাকলে তাকে নিষেধ করলেও জুমআর সওয়াব বরবাদ হবে। আমাদের উচিত জুমআর সময় সকল অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকা।

জুমআর আমল ও ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এখান থেকেঃ

শুক্রবারের আমলঃ গোসল করা, সুগন্ধি লাগানো, আগে আগে মসজিদে যাওয়া, ঈমামের কাছাকাছি বসা, মনযোগ দিয়ে খুতবা শোনা, সূরা কা....

21/07/2021

সকলেই আমন্ত্রিত

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!

16/07/2021

প্রতি কদমে ১ বছর নামাজ ও ১ বছর রোজার সওয়াব

জুমআর দিনের কিছু মাসনূন আমল

যদি এমন একটা অফার পাওয়া যায় যে,

"প্রতি কদমে এক বছর নফল রোজা, আর এক বছর নফল নামাজের সওয়াব আমাদের আমলনামায় লেখা হবে"

আমরা কি কেউ তা মিস করব? নিশ্চয়ই না!

জুমআর দিন ৫টি কাজের মাধ্যমে জুমআর নামাজে অংশ নিলে আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি কদমে কদমে এক বছরের নফল রোজা ও এক বছরের নফল সালাতের সওয়াব দান করেন। সুবহানাল্লাহ!!!
অর্থাৎ কারো বাসা থেকে মসজিদের দূরত্ব যদি ১০০ কদম হয়, তাহলে এই পাঁচটা কাজ করলে সে ব্যক্তি ১০০ বছর নফল রোজা ও ১০০ বছর নফল সালাতের সওয়াব পেয়ে যাবে।

পাঁচটি কাজ হচ্ছেঃ

১। গোসল করা
২। আগে আগে মসজিদে আসা
৩। পায়ে হেটে মসজিদে আসা
৪। ইমামের কাছাকাছি বসা।
৫। অনর্থক কথা না বলে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা।

রেফারেন্সঃ
==========
আওস ইবনু আওস আস-সাক্বাফী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ

যে ব্যক্তি জুমু’আহ্‌র দিন গোসল করবে এবং (স্ত্রীকেও) গোসল করাবে, প্রত্যুষে ঘুম থেকে জাগবে এবং জাগাবে (সকাল-সকাল ও আগে-আগে (মসজিদে যাওয়ার জন্য) প্রস্তুত হবে), জুমু’আহ্‌র জন্য বাহনে চড়ে নয় বরং পায়ে হেঁটে মাসজিদে যাবে এবং কোনরূপ অনর্থক কথা না বলে ইমামের নিকটে বসে খুতবা শুনবে, তার (মাসজিদে যাওয়ার) প্রতিটি পদক্ষেপ সুন্নাত হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে সে এক বছর যাবত সিয়াম পালন ও রাতভর সলাত আদায়ের (সমান) সাওয়াব পাবে।

(হাদীসের মানঃ সহীহ। আবু দাউদ ৩৪৫ - http://ihadis.com/books/abi-dawud/hadis/345)

আল্লাহ আমাদেরকে প্রতিটা জুমআতেই এই সওয়াব লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

আমাদের পরিবারের নারী সদস্যগণ, যারা জুমআয় অংশ নিতে পারেন না। তাদের জন্য আলেমগণ পরামর্শ দেন তারা যেন বাসার পুরুষদেরকে এই আমলগুলো করতে উৎসাহ দেন ও উদ্বুদ্ধ করেন। পুরুষদেরকে এই ভাল কাজগুলোতে সহযোগিতা করার মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ নারীরাও এই সওয়াবের অংশীদার হতে পারবেন।

জুমআর দিনের আরো কিছু সুন্নাহ সমর্থিত আমলঃ
- গোসল করা
- ফজরের ফরজ সালাতে সূরা সাজদা ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা
- উত্তম পোশাক পরা
- সুগন্ধি ব্যবহার করা
- আগে আগে মসজিদে যাওয়া
- সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা (বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যে কোনো সময়ে)
- জুমআর সালাতে মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাত সালাত আদায় করা
- দুই খুতবার মাঝে দুআ করা। এসময় দুআ কবুল হয়। এছাড়াও সারা দিন সাধ্য মত দুআ করা
- বেশি বেশি দরূদ পড়া
- মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা, খুতবার সময় কথা না বলা বা কোনো অনর্থক কাজ না করা। মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকা এমন কি এ সময়ে মসজিদের দানবাক্স চালানোও অনর্থক কাজের অন্তর্ভুক্ত। খুতবার সময় কেউ কথা বলতে থাকলে তাকে নিষেধ করলেও তা অনর্থক কাজ হিসাবে গণ্য। আর খুতবার সময় অনর্থক কাজ করলে তা জুমআকে বরবাদ করে দেয়। তাই খুতবার খুতবা শোনা ব্যতীত সকল কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো ক্রমেই এ সময় মসজিদের দানবাক্স চালানো যাবে না। খুতবার আগে বা সালাতের পরে দানবাক্স চালানো যেতে পারে। (https://www.alkawsar.com/bn/article/804/)

আবু হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযূ করার পর জুমু‘আর সলাতে এলো, নীরবে মনোযোগ সহকারে খুতবাহ্‌ শুনল, তার পরবর্তী জুমু‘আহ্‌ পযর্ন্ত এবং আরো অতিরিক্ত তিন দিনের পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি (অহেতুক) কঙ্কর স্পর্শ করল সে অনর্থক, বাতিল, ঘৃণিত ও প্রত্যাখ্যানযোগ্য কাজ করল।
(সহীহ মুসলিম ১৮৭৩ http://ihadis.com/books/muslim/hadis/1873)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জুমু’আর দিন যখন তোমার পাশের মুসল্লীকে চুপ থাক বলবে, অথচ ইমাম খুত্‌বা দিচ্ছেন, তা হলে তুমি একটি অনর্থক কথা বললে।
(বুখারী ৯৩৪ http://ihadis.com/books/bukhari/hadis/934)

আল্লাহ আমাদেরকে জুমআর সময় সকল অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন।

ভোলাগঞ্জ এর লাল মোটা বালু
14/07/2021

ভোলাগঞ্জ এর লাল মোটা বালু

আজকের আয়াত/হাদীসহারিস ইবনু সুওয়াইদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,‘আবদুল্লাহ (রাঃ) অসুস্থ ছিলেন। তাঁর সেবা করার জন্য কোন এ...
14/07/2021

আজকের আয়াত/হাদীস

হারিস ইবনু সুওয়াইদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) অসুস্থ ছিলেন। তাঁর সেবা করার জন্য কোন এক সময় আমি তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। তখন তিনি আমাকে দু’টি হাদীস বর্ণনা করলেন। একটি নিজের পক্ষ হতে এবং অন্যটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে ঐ ব্যক্তির চেয়েও অধিক আনন্দিত হন, যে লোক ছায়া-পানিহীন আশঙ্কাপূর্ণ বিজন মাঠে ঘুমিয়ে পড়ে এবং তার সাথে থাকে খাদ্য পানীয় সহ একটি সওয়ারী। এরপর ঘুম হতে সজাগ হয়ে দেখে যে, সওয়ারী কোথায় অদৃশ্য হয়ে গেছে। তারপর সে সেটি খুঁজতে খুঁজতে তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ল এবং বলে, আমি আমার পূর্বের জায়গায় গিয়ে চিরনিদ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে মারা যাব। (এ কথা বলে) সে মৃত্যুর জন্য বাহুতে মাথা রাখল। কিছুক্ষণ পর জাগ্রত হয়ে সে দেখল, পানাহার সামগ্রী বহনকারী সওয়ারীটি তার কাছে। (সওয়ারী এবং পানাহার সামগ্রী পেয়ে) লোকটি যে পরিমাণ আনন্দিত হয়, মু’মিন বান্দার তাওবার কারণে আল্লাহ তার চেয়েও বেশি আনন্দিত হন।

রেফারেন্সঃ
সহিহ মুসলিম ৬৮৪৮
http://ihadis.com/books/muslim/hadis/6848

Copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

Auto bricks snd pointing wall  bricks Delivery : Dhaka Metropolitan and Dhaka district Price: inbox,email and call.
14/07/2021

Auto bricks snd pointing wall bricks
Delivery : Dhaka Metropolitan and Dhaka district
Price: inbox,email and call.

Auto Bricks ASIMBricks wall and pointing wall Delivery for overall Dhaka Metropolitan. Price inbox.
13/07/2021

Auto Bricks ASIM
Bricks wall and pointing wall
Delivery for overall Dhaka Metropolitan.
Price inbox.

13/07/2021

আজকের আয়াত/হাদীস

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

তোমরা খারাপ ধারণা করা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা, খারাপ ধারণা প্রসূত বিষয় সর্বাপেক্ষা মিথ্যা। আর তোমরা ছিদ্রান্বেষণ করো না, গোয়েন্দাগিরি করো না, সুপ্তদোষ অনুসন্ধান করো না, তোমরা পরস্পর লিপ্সা করো না, পরস্পর পরস্পরের প্রতি শত্রুতা করো না, হিংসা করো না; একে অন্যের পিছনে লেগে থেকো না বরং তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে যাও।

রেফারেন্সঃ
সহিহ মুসলিম ৬৪৩০
http://ihadis.com/books/muslim/hadis/6430

Copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

Address

Plot #185, Road #05, Block # A, Basundhara R/A, Dhaka 1229
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when B.M Trade International posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to B.M Trade International:

Share