Rigid Auto Brick

Rigid Auto Brick We are solid concrete brick manufacturing plant based in Chittagong. "Quality is our only priority."

06/06/2025
26/03/2024
ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, একটি যুগ-উপযোগী পরিবেষ বান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য। আমরা এর সফলতা কামনা করছি।
28/02/2024

ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, একটি যুগ-উপযোগী পরিবেষ বান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য। আমরা এর সফলতা কামনা করছি।

পরিবেশের ক্ষতি রোধে পোড়ানো ইটের পরিবর্তে ব্লক ইট ব্যবহার জরুরি। তাই সরকার ব্লক ইট ব্যবহারের প্রতিবন্ধকতা দূর ক....

এরকম আরও ক্ষতিকারক ইট ভাটা বন্ধ করে দেয়া হোক। অনেক ভালো একটা উদ্যোগ।
27/02/2024

এরকম আরও ক্ষতিকারক ইট ভাটা বন্ধ করে দেয়া হোক। অনেক ভালো একটা উদ্যোগ।

সাতকানিয়ায় পাহাড়ি এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপিত ৪টি ইটভাটায় ইট পোড়ানো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ভাটাগুলোতে পানি ছিটিয়ে আগ.....

***********************************************************************                                কংক্রিট ব্রিক নিয়...
12/06/2023

***********************************************************************
কংক্রিট ব্রিক নিয়ে আরেকটি খবর।
***********************************************************************

মাটি হলো পরিবেশের অন্যতম মূল অংশ ও জীবনের ভিত্তি। আমাদের দেশের উন্নয়নের খড়্গ এই মৃত্তিকা বা মাটির ওপরেই নির্ভর করছে। এই কৃষিজমির মাটিই জীবিত ও উর্বর, যাকে বাঁচালে পরিবেশ ও দেশ বাঁচবে। পরিবেশ বাঁচলে রক্ষা পাবে জীব ও উদ্ভিদজগৎ। আবাদি জমির মাটি ফসলকে পুষ্টি সরবরাহ করে, পানিকে ফিল্টার করে, বন্যা থেকে রক্ষা করে এবং খরার বিরুদ্ধে লড়াই করে। বিলিয়ন জীবের বাসস্থান হিসেবে কাজ করে। আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক সরবরাহ করে। মাটি কার্বন সিঙ্ক হিসেবে কাজ করে জলবায়ু পরিবর্তনকে প্রশমিত করে। অন্যদিকে মাটিতে অতিরিক্ত প্লাস্টিক, কীটনাশক, রাসায়নিক সার ও ভারী ধাতুর উপস্থিতির কারণেও মাটি তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে ফসল উৎপাদন ও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে না। তাই ২০২৩ সালে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের নেপথ্যে রয়েছে প্লাস্টিক দূষণের সমাধান নিয়ে আরজি।

পশ্চিমা দেশগুলোর পাশাপাশি চীন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, জাপান, কোরিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়াসহ ইট উৎপাদনে কৃষিজমির মাটির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ। চীন ৫০ বছর আগে মাটি পোড়ানো ইট উৎপাদন নিষিদ্ধ করেছে। ভিয়েতনামে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্মিত ভবনে ৮০ শতাংশ ব্লক ইট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব দুই শতাধিক ব্লক ইট তৈরির কারখানা রয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় ব্লক ইটের কারখানা সংখ্যা খুবই কম।

বর্তমানে দেশে ইটভাটা, শিল্পায়ন, নগর উন্নয়নের কারণে হারিয়ে যাচ্ছে শতভাগ আবাদযোগ্য কৃষিজমি। বাংলাদেশে ২০১৩ সালের ৫৯ নম্বর আইনের আওতায় ইটের সংজ্ঞায় বলা আছে, ‘ইট’ অর্থ বালু, মাটি বা অন্য কোনো উপকরণ দ্বারা ইটভাটায় পোড়াইয়া প্রস্তুতকৃত কোনো নির্মাণসামগ্রী। মাটি ছাড়া বালু বা অন্য কোনো উপকরণ দিয়ে তো ইট তৈরি সম্ভব নয়, কারণ বালুকে আগুনে পোড়ালে জমাটও বাঁধবে না, ইটেও রূপান্তরিত হবে না। মানুষ বালুকে উত্তপ্ত করে চাল থেকে মুড়ি তৈরি করে, ইট তৈরি করে না। তা ছাড়া অনুমতি সাপেক্ষে মজা পুকুর বা খাল বা বিল বা খাঁড়ি বা দিঘি বা নদ-নদী বা হাওর-বাঁওড় বা চরাঞ্চল বা পতিত জায়গার মাটি দিয়েও ইট তৈরিতে আগ্রহ দেখায় না। তাই সব ইটভাটায় উপকরণ হিসেবে আবাদযোগ্য কৃষিজমির মাটিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

দেশে বর্তমানে ৭ হাজার ২০০ ইটভাটায় বছরে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি ইট পোড়ানো হয়, এতে টপ সয়েল ব্যবহারের পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি টন, যা ৬৫ হাজার হেক্টর কৃষিজমির ওপরের স্তরের মাটির সমান। তা ছাড়া নানা কাজে আরও ১৫ হাজার হেক্টর আবাদযোগ্য জমিও অকৃষি খাতে চলে যাচ্ছে। ওই হিসাবে বছরে মোট উর্বর জমি হারানোর পরিমাণ প্রায় ৮০ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর। অর্থাৎ প্রতিবছরই বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১ শতাংশ হারে আবাদযোগ্য জমি কমে যাচ্ছে, অপর দিকে ১ শতাংশ হারে জনসংখ্যা বাড়ছে। ওই হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও আবাদি জমির অবক্ষয় চলতে থাকলে আগামী ৭০ বছর পরে বাংলাদেশে কোনো কৃষিজমি অবশিষ্ট থাকবে না।

পশ্চিমা দেশগুলোর পাশাপাশি চীন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, জাপান, কোরিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়াসহ ইট উৎপাদনে কৃষিজমির মাটির ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ। চীন ৫০ বছর আগে মাটি পোড়ানো ইট উৎপাদন নিষিদ্ধ করেছে। ভিয়েতনামে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্মিত ভবনে ৮০ শতাংশ ব্লক ইট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব দুই শতাধিক ব্লক ইট তৈরির কারখানা রয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় ব্লক ইটের কারখানা সংখ্যা খুবই কম।
পরিবেশবান্ধব ব্লক ইট ব্যবহারে সুবিধা

ব্লক ইট তৈরিতে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি ব্যবহারের পরিবর্তে নদীর তলদেশের মোটা বালু ও সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়। ১. ব্লক ইট তৈরি হয় কারখানায় আর ইট তৈরি হয় ইটভাটায়, তাতে জায়গাও কম লাগে এবং আগুনেও পোড়াতে হয় না। ২. ভবনের নির্মাণ ব্যয় ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। ৩. সার্বিকভাবে কৃষিবান্ধব, পরিবেশবান্ধব, ভূমিকম্পসহ অন্যান্য দুর্যোগসহনীয়, টেকসই, ওজনে হালকা, দীর্ঘস্থায়ী, সহজ নির্মাণ, উন্নত মানের ফিনিশ, কম অপচয়, আগুন ও লবণাক্ততাপ্রতিরোধী। ৪. ব্লক ইট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ড্রেসিংয়ের দরকার হয় না, ফলে নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যায়। ৫. ওজনে হালকা বিধায় স্থানান্তর সহজ। ৬. সাধারণ ইটের তুলনায় হালকা ওজনের হয়, ফলে ভবনের ভিত্তিতে চাপ কম পড়ে এবং মাটির ভারবহন ক্ষমতা অপেক্ষাকৃত কম হলেও নির্মাণ করা সম্ভব। ৭. কম পুরুত্বের দেয়াল নির্মাণ করা যায়, ফলে ফ্লোর এরিয়া তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়। ৮. ব্লকের আকার বড় হয় এবং জোড়ার সংখ্যা কম হয়, ফলে মসলা কম লাগে। ৯. ব্লকে ফাঁকা থাকায় এগুলো তাপ, শব্দ ও আর্দ্রতায় অন্তরক হিসেবে উত্তম। ১০. এগুলোর পৃষ্ঠে প্লাস্টারের দরকার হয় না। ১১. ব্লকের দ্বারা নির্মিত দেয়াল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ১২. চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন আকার-আকৃতির ব্লক তৈরি করা সম্ভব।
সুপারিশ

নতুন করে কোনো ইটভাটা স্থাপনের অনুমতি প্রদান না করা এবং মাটি পোড়ানো বৈধ ও অবৈধ সব ইটভাটাকে নিরুৎসাহিত করে পরিবেশবান্ধব ব্লক ইট কারখানা স্থাপনকে অগ্রাধিকার দেওয়া। ১. পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর ব্লক ইট ব্যবহারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রচলিত ইটের ব্যবহার থেকে সরে এসে ধাপে ধাপে স্বল্প সময়ের মধ্যে সরকারি সব উন্নয়নকাজে ব্লক ইট ব্যবহারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা। ২. ব্লক ইটের বাজার তৈরি করা। ৩. ব্লক ইটের চাহিদা বৃদ্ধির জন্য সরকারের সব উন্নয়ন প্রকল্পে নির্দিষ্ট হারে ব্লকের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা। ৪. বেসরকারি পর্যায়ে নির্মিতব্য অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ও সীমানাপ্রাচীরে নির্দিষ্ট হারে ব্লক ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া। ৫. ব্লক ইট প্রস্তুতকারক এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার জন্য একটি উপযুক্ত সরকারি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা। ৬. ব্লক ইট উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ আমদানিতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আমদানি শুল্ক থেকে অব্যাহতি দেওয়া। ৭. ব্লকের জাতীয় মান নির্ধারণ করা। ৮. ব্লককে বাজারে সহজলভ্য করা এবং ইটের সরবরাহ ও চাহিদা পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনা। ৯. ইটভাটার মালিকদের পরিবেশবান্ধব ব্লক ইট তৈরির কারখানা স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া এবং সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ দিয়ে সহায়তা প্রদান করা। ১০. আবাদি জমিতে নতুন বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, শিল্পকারখানা নির্মাণে মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) অনুমোদন নেওয়া। ১১. কোনো কৃষককে তাঁর জমির মাটি বিক্রি বা সরানোর ক্ষেত্রে এসআরডিআইয়ের কর্মকর্তাদের অনুমোদন নেওয়া। ১২. সরকার কর্তৃক কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন বাস্তবায়ন করা। ১৩. ব্লক ব্যবহারের সুফলগুলো বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া, পত্রপত্রিকা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করা।

সবচেয়ে বড় কথা হলো আবাদি জমির মাটি আমাদের জীবনের ভিত্তি। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাকে রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য। তার জন্য দরকার সবার আন্তরিক সহযোগিতা, সব পক্ষের সমন্বয় ও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা।

-অধ্যাপক আবুল কাসেম মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

Collected from -

ব্লক ইট তৈরিতে কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি ব্যবহারের পরিবর্তে নদীর তলদেশের মোটা বালু ও সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়। ১. ব্.....

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!               ...
05/06/2023

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
সলিড কংক্রিট ব্রিক নিয়ে একটি নিউজ
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

উন্নত মানের সলিড কংক্রিট ব্রিকের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
📞 কল করুন - ০১৮৮১৬৫০৯৪৮ / ০১৮২৩০০০৮৯০

--------------------------------------------------------------------------

দেশে টানা তাবদাহ, খরা আর অনাবৃষ্টিতে শুধু জনজীবনই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েনি, প্রকৃতিও অনেকটাই প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। প্রতি বছর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করে তীব্র তাপপ্রবাহ সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যেসব কারণে জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকি বাড়ছে তার মধ্যে অন্যতম দায়ী সনাতনী ইটভাটাও। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব ইট তৈরির জন্য কৃষিজমির ওপরের অংশ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়। এতে কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হয়। কাঠ ও কয়লা দিয়ে ইট পোড়ানোর সময় ভাটার চিমনি থেকে নির্গত ধোঁয়া পরিবেশ দূষণের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। ফলে একদিকে অক্সিজেন উৎপাদক গাছ কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে ইটের ভাটা থেকে বিষাক্ত কার্বন গ্যাস ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে। এতে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের।
পরিবেশ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রচলিত ইটভাটার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারের মতো। এসব ভাটায় বছরে প্রায় ২২ দশমিক ৭১ বিলিয়ন পোড়া ইট হয়। এ জন্য ২৫ বিলিয়ন কিউবিক ফুট টপ সয়েল পোড়াতে সাড়ে ৩ মিলিয়ন টন কয়লা ও ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন টন জ্বালানি কাঠ পোড়ানো হয়। যা থেকে মারাত্মক ক্ষতিকর ৯ দশমিক ৮ মিলিয়ন টন গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হয়।

২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর বৈশ্বিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান এয়ারভিজুয়ালের প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, পৃথিবীর ৯১টি বড় শহরের মধ্যে সবচেয়ে দূষিত বায়ুর মানদণ্ডে ঢাকা শহরের অবস্থান দ্বিতীয়। এ প্রেক্ষাপটেই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
এদিকে প্রচলিত ইটের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে ২০২৫ সালের মধ্যে সনাতন লাল ইটের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে সরকারি উন্নয়নকাজে ব্লক ইট ব্যবহারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১৯ সালে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হয়। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা ৫(৩ক) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মাটির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাস করার উদ্দেশ্যে সকল সরকারি নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কার কাজে ভবনের দেয়াল ও সীমানা প্রাচীর, হেরিং বোন বন্ড রাস্তা এবং গ্রাম সড়ক টাইপ-বি এর ক্ষেত্রে ইটের বিকল্প হিসেবে ব্লক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের মধ্যে শতভাগ ব্লক ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

ইটের বিকল্প পরিবেশবান্ধব কংক্রিট ব্লক তৈরি হয় স্বয়ংক্রিয় মেশিনে। ব্লক তৈরিতে ব্যবহার হয় সিমেন্ট, কুচি-পাথর, সিলেটের বালু, সাধারণ বালু ও স্টোন ডাস্ট যা মাটি ছাড়াই এবং না পুড়িয়ে তৈরি করা হয়। পরিবেশ ও জলবায়ুর ও কোনও ক্ষতি হয় না। কংক্রিট ব্লক ব্যবহারের সুফল অনেক। সবচেয়ে বড় দিক হচ্ছে সনাতন লাল ইটের চেয়ে এর নির্মাণ খরচ তুলনামূলক কম। কংক্রিট ব্লকের দেয়ালের গাঁথুনিতে সিমেন্ট-বালু কম লাগে। এ ছাড়া এটি ব্যবহারে ভবনের ওজন কম হয়। ভবন নির্মাণের সময়ও কম লাগে। কংক্রিটের হওয়ায় এটি মজবুত হয় এবং নির্মাণের স্থায়িত্ব বাড়ে। সনাতন লাল ইটের মতো এতে নোনা ধরে কম। শব্দ-দূষণ ও তাপ পরিবহনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে ৪০ শতাংশ কম থাকে এতে। এর আরেকটি ভালো দিক হলো কংক্রিট ব্লক দিয়ে তৈরি হলে ঘরের ইন্টেরিয়র ডিজাইনেও অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন ব্লকের তৈরি দেওয়ালে শুধু রং দিয়েই ফিনিশিং দেওয়া যায়। এতে খরচও কমে। বাইরের প্রাচীরে ব্লক গাঁথুনির মাধ্যমে বৈচিত্র্যও আনা যায়। ইটের বিকল্প পরিবেশবান্ধব, সাশ্রয়ী ও তুলনামূলক ভূমিকম্পসহনীয় হওয়ায় দেশের নির্মাণ খাতে বাড়ছে ব্লকের চাহিদা। ফলে, পরিবেশবান্ধব ইকো–ব্লকের নানান সুবিধা ও প্রচলিত ইটভাটা থেকে সৃষ্ট পরিবেশের ক্ষতি রোধের দায়বদ্ধতা থেকে মানুষ ক্রমে পরিবেশবান্ধব ঘর তৈরিতে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

পরিবেশ ও জলবায়ুর কথা বিবেচনা করে ইটের বিকল্প ও ব্যয় সাশ্রয়ী নির্মাণ উপকরণ দিয়ে ইটের বিকল্প পরিবেশবান্ধব কংক্রিট ব্লক নিয়ে কাজ করছেন তরুণ উদ্যোক্তা সৌরভ ইয়াকুব হোসেন। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক পরিচালক তসলিম হোসেনের একমাত্র ছেলে সৌরভ ইয়াকুব পড়াশোনা করেছেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। পড়াশোনা শেষ করে ইটের বিকল্প পরিবেশবান্ধব কংক্রিট ব্লক তৈরিতে মনোযোগ দিয়েছেন তিনি। ইকো ব্লক ব্রিকস তৈরি করতে ঢাকার অদূরে সাভার-হেমায়েতপুরে হোজায়ফা ইকো ব্রিকস নামে একটি ব্রিকস ফ্যাক্টরি করেছেন। আধুনিক স্বয়ংক্রিয় মেশিনে প্রতিদিন ১৫-২০ হাজার ব্লক তৈরি হচ্ছে ওই কারখানায়। সৌরভ প্রথমে নিজস্ব ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান স্টিল স্ট্রাকচারাল ওয়ার্কসের জন্য এই ইকো-ব্রিকস তৈরি শুরু করলেও পরে বাণিজ্যিকভাবেও বিক্রি শুরু করেছেন।

সৌরভ ইয়াকুব হোসেন বলেন, ‘সমাজের স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য স্বল্প খরচে টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব বাড়ি নির্মাণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিরসনের লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব ইটের বহুল ব্যবহার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নিয়মিত ইকো-ব্রিকসের উৎপাদন বাড়াচ্ছি।’

COLLECTED FROM: https://www.banglatribune.com/others/802149/%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%95

05/06/2023

বিশ্ব পরিবেশ দিবসের দিনে আমরা আজ থেকেই চেষ্টা শুরু করি পরিবেশ বান্ধব কংক্রিট ব্রিক ব্যবহার করার এবং পরিবেশকে রক্ষা করার।

উন্নত মানের সলিড কংক্রিট ব্রিকের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

📞 কল করুন - ০১৮৮১৬৫০৯৪৮ / ০১৮২৩০০০৮৯০

27/05/2023

উন্নত মানের সলিড কংক্রিট ব্রিকের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

📞 কল করুন - ০১৮৮১৬৫০৯৪৮ / ০১৮২৩০০০৮৯০

15/05/2023

আলহামদুলিল্লাহ্। আজকে আমাদের সলিড কংক্রিট ব্রিকের ডেলিভারী যাচ্ছে।

আপনাদেরও বাড়ি নির্মাণ অথবা অন্য কোন নির্মাণ কাজের জন্য সলিড কংক্রিট ব্রিক প্রয়োজন হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

কল করুন - ০১৮৮১৬৫০৯৪৮ / ০১৮২৩০০০৮৯০ নাম্বারএ

অথবা আমাদের মেসেজ দিন - ০১৮৮১৬৫০৯৪৮ নাম্বারের WhatsApp এ

রিজিড অটো ব্রিক

25/03/2023

জয় বাংলা।

স্বাধীনতা দিবসের এই দিনে আমাদের পক্ষ্য থেকে সকল শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিনম্র স্রদ্ধা জানাই।

রিজিড অটো ব্রিক

Address

58, Bashgata, Firinghee Bazar Chattogram
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Telephone

+8801881650948

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rigid Auto Brick posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rigid Auto Brick:

Share