22/03/2025
লাইলাতুল কদরের নির্দিষ্ট করে কোন রাত নেই।
যদি লাইলাতুল কদর পেয়ে যান তবে সে রাত্রের আমল হবে টানা ৮৩ বছর ৪ মাসের সমান।
রমদানের লাইলাতুল কদরের শেষ ১০ রাত বা বিজোড় রাতগুলোতে উল্লেখিত যিকর আযকার করা যেতে পারে । সময় কম লাগবে… ইনশাআল্লাহ নেকীর পাল্লায় বেশি হবে
১। আল্লাহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউন তুহিব্বুল 'আফওয়া ফা'ফু 'আন্নী।
((اللهم إنك عفو تحب العفو فاعفُ عني
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন ৷
সহিহ হাদীস মোতাবেক উক্ত দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়বেন।
২। বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
"আল্লাহুম্মা সল্লি 'আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া 'আলা আলি মুহাম্মাদ........
৩। আস্তাগফিরুল্লাহ (যত বেশি সম্ভব হয়)
৪। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ’উযু বিকা মিনান্নার।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান্নার (৭ বার)
আল্লাহুম্মা আতিনিল জান্নাহ (৩ বার)
৫। সুবহানাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহুআকবর /
সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার
৬।"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির"
৭। দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।
৮। "সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি ওয়া সুবহানাল্লাহিল 'আযীম।"
৯। হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকীল,
নি’মাল মাওলা ওয়া নি’মান নাসির
১০। "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ"
১১। আয়াতুল কুরসি; সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত ও সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের তিলাওয়াত
১২। সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।
১৩। আল্লাহুম্মা আন্তাচ্ছালামু ওয়া মিনকাচ্ছালামু ওয়া তাবারাকতা ইয়া যাল-যালালি ওয়াল ইকরাম
অর্থ- হে আল্লাহ্! আপনি শান্তি, আপনা থেকেই শান্তি, বরকত সমূহ আপনারই, হে গৌরব ও সম্মানের অধিকারী
১৪। হে আল্লাহ!
আপনি আমাকে ক্ষমা করুন,
(*আল্লা-হুম্মাগফির লী)
আমার প্রতি দয়া করুন,
(ওয়ারহামনী)
আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন,
(ওয়াহদিনী)
আমার সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করে দিন,
(ওয়াজবুরনী)
আমাকে নিরাপত্তা দান করুন,
(ওয়া‘আফিনি)
আমাকে রিযিক দান করুন
(ওয়ারযুক্বনী)
আমার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন।
(ওয়ারফা‘নী)
রমদানের শেষ দশদিন প্রতি রজনীতেই দুই রাকাত করে আট রাকাত কিয়ামুল লাইলের সালাত, যিকর আযকারের পাশাপাশি আল্লাহ তায়ালার কাছে দুয়া করার সময় নিম্নক্ত বিষয় গুলি স্মরণ করা যেতে পারে:
নিজের গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করবেন !
গুনাহ থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
আল্লাহর অনুগত বান্দা হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
সুন্নাহ মেনে চলা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
অন্যের কাছে অপদস্থ না হওয়ার দোয়া করবেন !
বদ নজর ও বিপদ বালা মছিবত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
নিজের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন !
ইসলামের উপর টিকে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
মুনাফিকি থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
নিজের পরিবারবর্গের জন্য দোয়া করবেন !
পিতামাতার জন্য দোয়া করবেন !
সন্তান সন্ততির জন্য দোয়া করবেন !
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য দোয়া করবেন !
সমস্ত মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করবেন !
ছেলে মেয়েদের ইসলামী শিক্ষা দেওয়া সহজ হয় এবং ছেলে মেয়েরা যাতে ইসলামের উপর থাকে সেজন্য দোয়া করবেন !
আত্মীয় স্বজনদের জন্য দোয়া করবেন !
যারা আপনার কাছে দোয়া চেয়েছেন তাদের জন্য দোয়া করবেন !
যে সমস্ত আত্মীয় স্বজন মারা গেছেন তাদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন !
ইসলামের পথে থাকা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন। ইসলাম সম্প্রসারণের জন্য ও ইসলামের জন্য নিজের বুককে সম্প্রসারণ করার জন্য দোয়া করবেন !
আপনার প্রয়োজন পূরণের জন্য দোয়া করবেন !
রোগ মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
হালাল রিজিক সহজ হওয়ার জন্য দোয়া।
হারাম কাজ থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
সহজে ঋণ পরিশোধ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন
ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী মুনাফেক ও কাফেরদের উতপীড়ন থেকে নিরাপদ থাকার দোয়া করবেন !
অন্যের উপর বোঝা স্বরূপ না হওয়ার জন্য দোয়া করবেন বিদাত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
শির্ক থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
লোক দেখানো ইবাদত থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
ঈমান বৃদ্ধির জন্য দোয়া করবেন !
সকল অবস্থায় খাটি ঈমানদার হয়ে থাকার জন্য দোয়া ক
বদ অভ্যাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
জান্নাতুল ফেরদৌস এর জন্য দোয়া করবেন !
জাহান্নাম থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
কবরের আযাব থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
সকল বিকাল জিকির করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
প্রতিদিন কুরআন তিলওয়াত করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
নবীজির শাফায়াত নসীব হওয়ার জন্য দোয়া করবেন ।
দাজ্জালের ফেতনা থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
সকল রকম ফেতনা থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
মনে যাতে মুমিনদের প্রতি হিংসা উৎপাদন না হয় সে জন্য দোয়া করবেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"ভালো কাজের পথ প্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।..."
[মুসলিম ২৬৭৪]
আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের রমদানের কদরের রজনী গুলোতে আমাল করার ও হাজার মাসের নেক আমল পাওয়ার তৌফিক দিন।