Land Surveyor & Building Design Consultancy

Land Surveyor & Building Design Consultancy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Land Surveyor & Building Design Consultancy, Building Materials, dhaka, Dhaka.

19/08/2025

1. Structure = 35%
2. Brick work = 6%
3. Wood work = 5%
4. Metal work = 2%
5. Plambing and Sanitary = 6%
6. Electrical work = 7%
7. Plaster work = 4%
8. General Floor Tiles work = 6%
9. Toilet & Kit wall Tiles work = 3%
10. Aluminium work = 4%
11. EME(Lift,Generator,Substation)=10%
12. Paint work = 3%
13. Others civil work = 6%
14. Utility connection & Bill = 3%
Total = 100%

✪ STRUCTURE ~ 35%
- Footing & Column Padestal = 20%
- Grade Beam, UGWR top Slab = 5%
- GF Column, Stair etc = 4%
- 1st Floor Slab = 9%
- Typical Floor Column (5x3%) = 15%
- 2nd floor slab to roof slab (5x8) = 40%
- Roof top = 7%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)

✪ BRICK WORK ~ 6%
- GF Brick work = 6%
- 1st floor Brick work = 18%
- 2nd floor Brick work = 18%
- 3rd floor Brick work = 18%
- 4th floor Brick work = 18%
- 5th floor Brick work = 18%
-Roof Top Brick work = 4%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ WOOD WORK ~ 5%
- Door frame = 40%
- Main Door Shutter = 15%
- Partex Door Shutter = 35%
- Cat Door & Accessories = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে)

✪ METAL WORK ~ 2%
- Window grill = 55%
- Verandah Railling = 20%
- Stair Railling = 10%
- Main gate, Gen-Sub, safety grill = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)

✪ PLAMBING & SANITARY WORK~ 6%
- uPVC vertical line thru duct = 25%
- GI line work = 30%
- Fixture & Fittings = 40%
- Ground Floor = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ELECTRICAL~ 7%
- Conduiting inside slab = 10%
- Conduiting on wall i/c MK box=15%
- Cabling work = 55%
- Switch-Socket = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)

✪ PLASTER ~ 4%
- Ceiling plaster = 20%
- Internal wall plaster = 50%
- Outside plaster/facing bricks = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ GENERAL FLOOR TILES ~ 6%
- General floor & Verandah = 75%
- Stair, typical lobby & lift wall = 20%
- GF lift lobby, wall, reception = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ TOILET & KIT WALL TILES ~ 3%
- Bath wall = 60%
- Kitchen wall = 20%
- Bath floor = 9%
- Bath counter top = 4%
- Kitchen floor = 3%
- Kitchen counter top =4%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ ALUMINIUM WORK ~ 4%
- Outer framing-window sliding= 40%
- Glass shutter-window sliding = 30%
- Verandah sliding = 20%
- Toilet high window = 5%
- Comnon area = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ EME ~ 10%
- Lift = 50%
- Generator = 25%
- Substation = 20%
- PABX, Fire extinguisher etc = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)

✪ PAINT WORK ~ 3%
- Upto putty = 40%
- Internal wall&ceiling 1st coat= 20%
- Internal wall&ceiling 2nd coat= 15%
- Outside paint/ceramic Tites = 25%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ OTHERS CIVIL WORK ~ 6%
- Boundary wall = 30%
- Line terracing/Roof top paver= 15%
- LOGO, Gardening & others = 4%
- GF BBC = 14%
- GF pavement & footpath dev = 10%
- Lintel, F/slab, drop wall, counter slab = 20%
- Cable tray = 1%
- Sanitary duct cover, ceiling etc= 4%
- Reception desk, letter box = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ UTILITY CONNECTION & BILL ~ 3%
- DESA/DESCO = 35%
- TITAS = 20
- WASA = 15%
- Utility bills = 30%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

08/07/2025

রেজিস্ট্রির সময় দলিলে যা বারবার চেক করবেন.....

সাধারণত একজন দলিল লেখক দিনে ৮/১০ টা বা কেউ কেউ আরো বেশি দলিল লেখে। ফলে তাদের দ্বারা দলিল লিখার সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হয়ে যেতে পারে। আবার একজন সাব-রেজিস্ট্রার দৈনিক ৭০/৮০ টি দলিল রেজিস্ট্রি করেন। এতো সেবাগ্রহীতার চাপ থাকে যে প্রতিটি দলিল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা সম্ভব হয়না। জমির ক্রেতা হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো দলিলে সাক্ষর করার আগে দলিলটি নির্ভুলভাবে লেখা হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে নিম্নের বিষয়গুলো ভালোভাবে খেয়াল করা......

১) জমির এসএ এবং আরএস দাগ অঙ্কে ও কথায় মিলিয়ে নেবেন। নকশার সাথে দাগ নম্বর মিলাবেন। দলিলের ১১ নম্বর কলামে খতিয়ান নম্বর ও হোল্ডিং নম্বর বারবার মিলান।

২) দাগের কোন দিকে আপনার ক্রয়কৃত জমির পজিশন সেটা দলিলের ১৫ নম্বর কলামে হাত নকশায় ভালোভাবে লক্ষ্য করবেন।

৩) মৌজার নাম, জেএল নম্বর এবং জমির পরিমাণ কথায় এবং অংকে লেখা ঠিক আছে কিনা তা দলিলের ২ নম্বর কলামে ভালোমতো খেয়াল করবেন।

৪) সম্পত্তির চৌহদ্দি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিনা তা ১২ নম্বর কলামে দেখে নিবেন।

৫) বিক্রেতার তার প্রাপ্য হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দিচ্ছেন কিনা তা যাচাই করবেন। একাধিক ক্রেতা বা বিক্রিতা হলে কার কতটুকু অংশ তা নির্দিষ্ট করা আছে তা দলিলের ৮ ও ৯ নং কলামে ঠিকমতো লেখা আছ কিনা লক্ষ্য করবেন।

৬) দলিলে কোনো মামলার ডিক্রির তথ্য সংযোজন প্রয়োজন হলে দলিলের ৭ নম্বর কলামে বিজ্ঞ আদালতের নাম ও মামলা নম্বর নির্ভূলভাবে লিখেছে কিনা খেয়াল করবেন। এছাড়া জমির সর্বশেষ জরিপ হতে ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ ঠিকমতো লেখা হয়েছে কিনা খেয়াল করবেন।

মনে রাখবেন দলিলে মেজর ভুল হয়ে গেলে তা আদালত ছাড়া সংশোধন করা যায়না। একটা দলিলের মেজর ভুল ঠিক করতে বছরের পর বছর আদালত চত্বরে ঘুরতে হবে। তাই নির্ভুল দলিল পেতে রেজিষ্ট্রেশনের আগে উপরের বিষয়গুলো ভালোমতো খেয়াল করুন। সবাইকে ধন্যবাদ।


#দলিললিখন
#দাগখতিয়ান
#পর্চাহোল্ডিং
#দলিলেভুলসংশোধন

12/04/2025

আপনি #ইঞ্জিনিয়ার বা #বাড়ি #নির্মান সাথে জরিত তাদের জন্য। ..............................................................
১। কি?
উ: কি ভাবে, কি অনুপাতে কাজ করতে হবে তার বিস্তারিত বিবরণ যে নির্দেশিকায় লেখা থাকে তাকে specification বলে।
২। #সিডিউল কি?
উ:যে নির্দেশিকায় specification, BOQ ও রেট লেখা থাকে তাকে সিডিউল বলে।
৩। lauch করতে হলে কি কি দরকার হয়?
উ:ড্রইং, ডিজাইন,জায়গা,ডিসিশন, লোকবল ও মালামালের দরকার হয়।
৪। Method of কত প্রকার ও কি কি?
উ:৬ প্রকার, যথা-
Open tendering method ( OTM)
Restricted tendering method (RTM)
Request for quotation method(RFQM)
Direct procurement method(DPM)
Two stage tendering method (TSTM)
Internal tendering method(ITM)
৫। #লেআউট কি?
উ:ড্রয়িং সিটে যে ড্রইং করা আছে তা হুবহ মাঠে সেট করাকে লে আউট বলে।
৬। #গ্রিডলাইন কাকে বলে?
উ:কাজ করার সুবিধার জন্য ড্রইং এ নির্দিষ্ট দূরে দূরে উওর -দক্ষিণ ও পূর্ব পশ্চিমে যে রেখাগুলো টানা হয় তাকে গ্রিড লাইন বলে।
৭। #সেন্টারলাইন কাকে বলে?
উ:যে রেখা কলাম বা ফুটিং এর ঠিক মাঝ বরাবর টানা হয় তাকে সেন্টার লাইন বলে।
৮.একটি কলাম ফুটুং এর কোন স্থানে বসবে?
উ:কলামের সেন্টার লাইন ও ফুটিং এর সেন্টার লাইন অবশ্যই একই বিন্দুতে থাকতে হবে। বিশেষ কোন কারণ ছাড়া এর ব্যতিক্রম হতে পারবে না।
৯। করার সময় মাটাম পরীক্ষা কিভাবে করা হয়?
উ:প্রতি কর্ণারে সুতার সাহায্যে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করতে হবে। যার দুই বাহুর পরিমাপ যথাক্রমে ৩' ও ৪' এবং এর অতিভুজের পরিমাপ ৫'। এর সাহায্যে প্রত্যেক কর্ণারে ৯০ ডিগ্রি সেট করা যাবে ।
১০। #পাইল লে আইট কিভাবে করতে হয়?
উ: বিল্ডিং লে আউট ফাইনাল করার পর পাইল লে আউট দিতে হবে। ড্রইং অনুসারে পাইল পয়েন্ট দিতে হবে। পাইল পয়েন্ট ঠিক রাখার জন্য প্রতি পয়েন্ট এ একটি করে ৮মিমি/১০ মিমি রড ১ ফুট পরিমাণ ফুঁতে দিতে হবে। রডটির ১ বা ১.৫" বাহির করে গোড়ায় সামান্য পরিমাণ ঢালাই করে দিতে হবে। যাতে পাইল পয়েন্ট দুরে সরে না যায়।
১১।১৮" ডায়া পাইল এ কতটুকু চিসেল ব্যবহার করতে হবে?
উ: ১৬" ডায়া চিসেল ব্যবহার করতে হবে।
১২। যে পাইপ দিয়ে পাইল ঢালাই করা হয় তার নাম কি?
উ: #ত্রিমিপাইপ
১৩।ত্রিমি পাইপের ডায়া কত?
উ: ৬" থেকে ৭"
১৪। কত সময় বোরিং ওয়াস করতে হবে?
উ:কমপক্ষে আধাঘন্টা বা যতক্ষণ পানিতে কাদা আসে ততক্ষণ বোরিং ওয়াস করতে হবে।
১৫।প্রত্যেকটি পাইলে মাটির নিচে রডের মাথা কিভাবে একই সমানে রাখাযাবে?
উ:প্রজেক্টে এর সুবিধামত জায়গায় ২' উচ্চতা বিশিষ্ট একটি লেভেলিং পিলার তৈরি করতে হবে এর ভিত্তিতে ওয়াটার পাইপ বা লেভেলিং মেশিনের সাহায্যে ক্যাসিং পাইপের মাথায় লেভেল দিতে হবে। পাইলিং রডের খাচার মধ্যে একটি ১০ মিমি ব্যাসের রডের হুক লাগিয়ে লেভেলের পরিমাপ মত একটি রড ক্যাসিং পাইপের মাথায় হুক করে লাগাতে হবে।
১৬। #এগ্রিগেট হিসাবে পাইলে কি ব্যবহার করা হয় এবং অনুপাত কত?
উ:পাইল এগ্রিগ্রেড হিসাবে stone chips/singles ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ইহার অনুপাত সাধারণত 1:1.5:3 হয়ে থাকে।
১৭। কাট অফ লেভেলে কেন কম রেশিং তে কাস্টিং করা হয়?
উ: কাস্টিং করার পর কাট লেভেল ভেঙ্গে ফেলতে হয়, সেজন্য কম রেশিও তে অর্থাৎ ১:২:৪ বা ১:৩:৬ অনুপাতে কাস্টিং করতে হয়।
১৮। একটি পাইল বোরিং করার পর কতটুকু দুরে পরের পাইলটি করা যেতে পারে?
উ: একটি পাইল হতে আরেকটি পাইলের ডিসট্যান্স মিনিমাম ৬' হতে হবে, বেশি হলে আরও ভাল হয়।
১৯।একদিনে একটি মেশিনে সাধারণত কয়টি পাইল করতে পারে?
উ: ৫০ ফুটের নিচে হলে তিনটা এবং এর উপরে হলে দুইটা করা যেতে পারে।
২০। পাইলের ভারবহন ক্ষমতা বলতে কি বোঝায়?
উ: একটি পাইল প্রতি বর্গফুটে যত টুকু ভার নিরাপদে বহন করতে পারে, তাকে পাইলের ভারবহন ক্ষমতা বলে।
২১।ফুটিং এর মাটি কাটার পূওর্বে একজন সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে কি চিন্তা করতে হবে?
উ: যে ফুটিং এর গভীরতা বেশি সেই ফুটিং এর মাটি আগে কাটতে হবে, এবং মাটির অবস্থা দেখে সেফটির ব্যবস্থা নিতে হবে।
২২। #শোরিং কি?
উ: রাস্তা বা নেওলের মাটি কে বাঁধা দেওয়ার জন্য ইহার দুইপাশে খাড়া ভাবে কাঠের তক্তা ব্যবহার করা হয়, একে শোরিং বলে।
২৩। ফেরু সিমেন্ট কি?
উ: Expended metal বা coil rod দিয়ে খাচা তৈরি করে এর উপর সিমেন্ট ও সিলেট স্যান্ড দিয়ে হালকা কাস্টিং করাকে ফেরু সিমেন্ট বলে। ইহা সাধারণত ১" -২" পর্যন্ত ওয়াল থিকনেস তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ইহা সাধারণত ছাদের উপরে পানির ট্যাংক হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
২৪। #ব্লিডিং কি ও #লেটেন্স কি?
উ: কংক্রিট হতে সিমেন্ট থিতিয়ে পড়াকে ব্লিডিং বলে। ইহার ফলে কংক্রিট এ হানিকম ও হেয়ার crack দেখা দিতে পারে।
আর কংক্রিটে ওয়াটার সিমেন্ট রেশিও বেশি হলে, কখনও কখনও ঢালাইয়ের উপরের অংশে ফেনার মত দেখা যায়, একে লেটেন্স বলে।
২৫। cone ও এর সাইজ কত?
উ: স্লাম্প কোন এর উপরের মাথা ৪", নিচের মাথা ৮" এবং উচ্চতা
১২" আর সিলিন্ডারের সাইজ ৪" ডায়া, ৮" লম্বা।
২৬। সিমেন্টের কয়েকটি টেস্ট এর নাম বল?
উ:
* compressive strength
* Bonding strength
* intial setting time
* Final setting time
* Finess test ইত্যাদি।
২৭।একই লেভেলে কতটুকু ল্যাপিং দেয়া যাবে?
উ: একই লেভেলে ২৫% এর বেশি ল্যাপিং দেয়া যাবে না।
২৮।সেপারেটর হিসাবে কত ইঞ্চি ডায়া রড ব্যবহার করতে হবে?
উ: ২৫ মিমি ডায়া রড।
২৯। সানশেড এর বাউন্ডার রড, মেইন রডের কোন দিকে দিতে হয়?
উ: বাইন্ডার মেইন রডের নিচে দিতে হয়।
আর রিটেইনিং ওয়াল ও শিয়ার ওয়ালের ক্ষেত্রে মেইন রডের বাহিরে বাইন্ডার দিতে হয়।
৩০। কংক্রিটের শক্তির উপর অনুপাতের কোন প্রভাব আছে?
উ: হ্যাঁ আছে।
১:২:৪ অনুপাতে 3000 psi এবং ১:১.৫:৩ অনুপাতে 3500 psi চাপশক্তি পাওয়া যায়।
৩১.এক গ্যালন পানির ওজন কত?
উ: ১০ পাউন্ড বা ৪.৫ কেজি।
৩২.এক পাউন্ড সমান কত কেজি?
উ: ০.৪৫ কেজি।
৩৩.১ ঘনমিটার কত ঘনফুট?
উ: ৩৫.২৮ ঘনফুট।
৩৪.গাছ কাটার সময় কখন?
উ: শীতকালে।
৩৫.সকেট ও নিপল এর মধ্যে পার্থক্য কি?
উ: সকেট ভিতরে দুই দিকে ও নিপলের বাহিরের দুই দিকে প্যাঁচ কাঁটা থাকে।
৩৬. জি আই পাইপে কতটি প্যাঁচ থাকা প্রয়োজন?
উ: জি আই পাইপে ৭.৫ টি প্যাঁচ থাকা প্রয়োজন।
৩৭.পিপি আর পাইপ কিভাবে জয়েন্ট দিতে হয়?
উ: হিট মেশিনের সাহায্যে তাপ দিয়ে জয়েন্ট দিতে হয়।
৩৮. এবং মধ্যে পার্থক্য কি?
উ: UPVC - ইহা আনপ্লাষ্টিসাইড অর্থাৎ আগুনে তাপ দিলে এবরোথেবরো হয়ে যায়। কোন অবস্থাতেই আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় না।
PVC- ইহা প্লাষ্টিসাইড, আগুনে তাপ দিয়ে ছোট বড় করা যায়। ইচ্ছে করলে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়।
৩৯.হার্ড বোর্ড কি?
উ: এই বোর্ডের প্রধান উপাদান কাঠ। নরম জাতের কাঠকে মেশিনের সাহায্যে গুড়া করে প্রয়োজনমত রজন, আঠা ইত্যাদি মিশিয়ে প্রেসার দিয়ে হার্ড বোর্ড তৈরি করা হয়।
৪০.বাজারে কি কি সাইজের flash door shutter পাওয়া যায়?
উ: 39",36", 33",30" অর্থাৎ 3" interval এ শাটার গুলো পাওয়া যায়।

বাথরুমের স্থায়িত্বের মাত্রা এবং ঐ জায়গার মধ্যে মানুষের ভঙ্গিকে চিত্রিত করে, সম্ভবত বাথরুমের নকশা এবং পরিকল্পনার জন্য এ...
07/04/2025

বাথরুমের স্থায়িত্বের মাত্রা এবং ঐ জায়গার মধ্যে মানুষের ভঙ্গিকে চিত্রিত করে, সম্ভবত বাথরুমের নকশা এবং পরিকল্পনার জন্য একটি রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা হবে। মনে হচ্ছে এটা হাতের লেখা অ্যানোটেশন সহ স্কেচের সংকলন। চলুন তথ্য ভেঙ্গে ফেলি:

মূল উপাদানসমূহ:

শিরোনাম: "টয়লেট স্ট্যান্ডার্ডস" (এই শিরোনাম সত্ত্বেও, ছবিতে অন্যান্য বাথরুম ফিক্সচার যেমন সিঙ্ক, স্নান, এবং বাথটাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। )
চিত্র: চিত্রটিতে বাথরুমের ফিক্সচারের একাধিক চিত্র রয়েছে যা মানুষের ব্যক্তিত্ব তাদের ব্যবহার প্রদর্শন করে।
মাত্রা: প্রতিটি দৃষ্টান্ত সেন্টিমিটার (সেমি) বিভিন্ন সংখ্যাক মাত্রা অন্তর্ভুক্ত করে।
মানুষের চেহারা: মানুষের পরিসংখ্যান বিভিন্ন ভঙ্গিতে দেখানো হয়, যা নির্দেশ করে কিভাবে মানুষ ফিক্সচারের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে।
হস্তলিখিত অ্যানোটেশন: কিছু চিত্র হস্তলিখিত অ্যানোটেশন, সম্ভাব্য শিল্পীর স্বাক্ষর বা অতিরিক্ত নোট অন্তর্ভুক্ত।
চিত্র বিশ্লেষণ:

উপরে বাম:
একজন ব্যক্তিকে সিঙ্কে দাঁড়িয়ে, তাদের মুখ ধুয়ে দেখাচ্ছে।
সিঙ্ক উচ্চতা, প্রাচীর থেকে দূরত্ব, এবং সামগ্রিক উচ্চতা জন্য মাত্রা অন্তর্ভুক্ত।
উপরে ডানে:
টয়লেটে বসে থাকা একজন ব্যক্তিকে দেখাচ্ছে।
টয়লেটের উচ্চতা, দেয়াল থেকে দূরত্ব, এবং টয়লেট পেপার হোল্ডার স্থাপনার জন্য মাত্রা অন্তর্ভুক্ত।
মধ্য ডান:
একটি সিঙ্ক এবং মিরর সেটআপ দেখায়।
সিঙ্ক উচ্চতা, আয়না উচ্চতা, এবং ফিক্সচারের মধ্যে দূরত্ব জন্য মাত্রা অন্তর্ভুক্ত।
নীচে বাম:
একজন ব্যক্তিকে গোসলখানায় দাঁড়িয়ে দেখা যাচ্ছে।
শাওয়ারহেড উচ্চতা, শাওয়ার প্রস্থ, এবং প্রাচীর থেকে দূরত্বের জন্য মাত্রা অন্তর্ভুক্ত।
বটম ডানে:
বিভিন্ন বাথটাব ডিজাইন দেখায় যেখানে লোকজন বসে বসে বসে বসে থাকে।
বাথটাবের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, এবং গভীরতা জন্য মাত্রা অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা:

এই ছবিটি বাথরুমের ফিক্সচার মাত্রা এবং ঐ জায়গার মধ্যে মানুষের ergonomics একটি চাক্ষুষ গাইড প্রদান করে। চিত্র এবং পরিমাপ সম্ভবত ডিজাইনার এবং পরিকল্পনাকারীদের আরামদায়ক এবং কার্যকরী বাথরুম লেআউটের জন্য স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা বুঝতে সাহায্য করবে। মানুষের পরিসংখ্যান প্রতিটি ফিক্সচার ব্যবহারের সাথে যুক্ত সাধারণ ভঙ্গি এবং আন্দোলন প্রদর্শন করে।

মূল পর্যবেক্ষণ:

মানব স্কেলে ফোকাস: চিত্রটি মানব স্কেলে জোর দেয় এবং কিভাবে মানুষ বাথরুম ফিক্সচারের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে।
মাত্রা উপর জোর দেওয়া: অসংখ্য মাত্রা স্পেস প্ল্যানিং জন্য বাস্তব নির্দেশিকা প্রদান করে।
হস্তলিখিত শৈলী: হস্তলিখিত এনোটেশনগুলি একটি ব্যক্তিগত বা শৈল্পিক স্পর্শ সুপারিশ করে, সম্ভাব্য একজন ডিজাইনার বা স্থপতি থেকে।
সারাংশের মধ্যে, এই ছবিটি বাথরুমের ফিক্সচার মাত্রা এবং মানুষের ভঙ্গিকে বর্ণনা করে, যা বাথরুমের নকশা এবং পরিকল্পনার জন্য একটি চাক্ষুষ রেফারেন্স হিসাবে পরিবেশন করে। এটি কার্যকরী এবং আরামদায়ক বাথরুমের জায়গা তৈরি করার জন্য মানব স্কেল এবং এরগনমিক্সের গুরুত্বকে তুলে ধরে।

16/03/2025

অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।
এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।
সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।
জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।
পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।
তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।
এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।
বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ। আইনী পরামর্শ ও সেবা কেন্দ্র
#আপডেট_জমি_রেজিস্ট্রি_খরচঃ #জমিররেকর্ড #জমিরসমস্যা #ভূমিসেবা #আইনী #খারিজ #ভূমি #খাজনা ゚ েকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।
এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।
সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।
জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।
পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।
তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।
এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।
বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ।
পর

11/03/2025

⛔ দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে ধরা হ‌লো:

✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

✅ নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

✅ নামজারি প্রক্রিয়া:

১ম ধাপ:
mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

✅ সময় ও খরচ:
নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

✅ তথ্য ও সহায়তা :
নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল সেন্টার 16122-এ যোগাযোগ করুন।

Address

Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Land Surveyor & Building Design Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share