Mostafiz's World

Mostafiz's World সাশ্রয়ে সেরা পণ্য, সবার জন্য ! Your One-Stop Shop for Premium Tech and Tools! Welcome to SHADDHO Tech and Tools – Your One-Stop Shop for Premium Tech and Tools!

At SHADDHO, we provide a diverse range of high-quality products designed to meet all your tech and tool needs. Whether you're an audio enthusiast, a DIY expert, or a tech-savvy professional, we have everything you need to stay ahead. Audio & Sound Systems:

Discover top-tier sound quality with our range of audio and sound systems. From immersive home theater setups to portable speakers, we offer p

roducts that deliver crystal-clear sound for every occasion. Computer Accessories:

Enhance your computing experience with our selection of computer accessories. From ergonomic keyboards and high-precision mice to monitors and external storage, we have the perfect accessories to boost your productivity and comfort. Routers & Networking Equipment:

Stay connected with our reliable networking solutions. We provide a variety of routers, modems, and network extenders to ensure you have seamless, high-speed internet coverage in every corner of your home or office. Drills & Drivers:

Power up your projects with our professional-grade drills and drivers. Whether you’re a seasoned contractor or a DIY enthusiast, our tools are built to tackle any job with precision and ease. Cables & Connectors:

Keep your devices connected with our extensive range of cables and connectors. From HDMI and USB cables to specialized adapters, we have the right solutions to keep your tech connected and running smoothly. Why Shop with Us?

1. Quality Products: We stock only the best products from trusted brands to ensure reliability and performance.
2. Competitive Prices: Get great value with our competitive pricing on all products.
3. Expert Support: Our knowledgeable team is always here to help you find the right product for your needs.
4. Fast & Secure Shipping: Enjoy quick and secure delivery, so you can start using your new tech and tools as soon as possible. Explore our collection today and find the perfect tech and tools for your home, office, or workshop at SHADDHO !

💥Heat Wave সর্তকতা 💥----------------------------------👉এই পোস্টটি সর্বসাধারণের জন্য প্রযোজ্য। সুতরাং, নিজেকে সুরক্ষিত রা...
26/04/2024

💥Heat Wave সর্তকতা 💥
----------------------------------
👉এই পোস্টটি সর্বসাধারণের জন্য প্রযোজ্য। সুতরাং, নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে নিজে জানুন, অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

🌅বর্তমানে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরে এই HEAT WAVE চলছে। যার তাপমাত্রা সম্ভবতঃ ৪০°-৫০° সে.♨️ এই Heat Wave বাংলাদেশের ভূখণ্ডের দিকে ধেয়ে আসছে/এসেছে।

সুতরাং, আসুন জেনে নেই আমাদের করণীয় বার্তাঃ-

✅HEAT WAVE প্রতিরোধে করণীয় ও পরিত্যজ্য-✅

১) যখন তাপমাত্রা ৪০°সে-এ পৌঁছে তখন খুব ঠান্ডা পানি পান করতে নিষেধ করেন চিকিৎসকগণ। কারণ এতে রক্তনালী হঠাৎ সঙ্কুচিত হয়ে হঠাৎই স্ট্রোক হতে পারে।তাই ঠান্ডা/বরফ পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন।স্বাভাবিক তাপের পানি বা ঈষৎ গরম পানি পান করুন এবং ধীরে ধীরে পান করুন।

২) যখন বাহিরের তাপমাত্রা ৩৮°সে অতিক্রম করে তখন ঘরে চলে আসুন বা ছায়ায় অবস্থান করুন।নিজেকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন।প্রাকৃতিক বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে এমন জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন।

৩) ঘরে এসেই হাত-পা-মুখ ধুবেন না বা গোসল করবেন না।হাত-মুখ ধোয়ার আগে একটু অপেক্ষা করুন। দেহকে ঘরের তাপের সাথে খাপ খেতে দিন।তারপর স্বাভাবিক তাপের পানি দিয়ে গোসল অথবা ফ্রেশ হয়ে নিন।
অন্ততঃ আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন হাত-মুখ ধোয়ার আগে বা গোসলের আগে।

৪) অল্প অল্প করে বারে বারে স্বাভাবিক পানি পান করুন।জ্যুস বা এ জাতীয় পানীয় পরিহার করুন।

স্বাভাবিক শরবত,ডাব বা লবণ পানির শরবত পান করতে পারেন যদি তা আপনার জন্য অন্য কারণে নিষিদ্ধ না হয়ে থাকে।তবে তাও অল্প পরিমানে।

*প্রচন্ড গরমে যদি আপনি খুবই ক্লান্ত হয়ে থাকেন তবে ভুলেও বরফ মিশ্রিত পানি বা ফ্রিজের পানি পান করবেন না,যদিও ওই সময় ঠান্ডা পানি খুবই ভালো লাগে।এটা শরীরে প্রশান্তি ভাব এনে দেয়।কিন্তু এতে হঠাৎই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সাময়িক শান্তি দেয় এমন কোনো কিছুই দীর্ঘমেয়াদি ফলপ্রসূ নয়।সুতরাং সাবধান হোন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক।আমিন।

নিজে জানুন,অন্যকে জানান।

মহান আল্লাহ বাংলাদেশের মানুষ ও প্রকৃতির উপর রহম করুক।আমিন ❤️
22/04/2024

মহান আল্লাহ বাংলাদেশের মানুষ ও প্রকৃতির উপর রহম করুক।আমিন ❤️

16/04/2023

এসি কখন কোন মোডে চালাবেন?

গরমের তীব্রতায় যখন জীবন অতিষ্ট হয়ে যায়, দেখা মেলে না বৃষ্টির , তখন একটু স্বস্তির পরশ পাওয়া যায় এসির বাতাসে। এখন অনেকের বাড়িতেই এসি আছে, আর অফিসে তো এখন সবাই এসি ব্যবহার করছেন। এসির বাতাস নিয়ন্ত্রণের জন্য কতগুলো মোড রয়েছে। এগুলো সম্পর্কে আমরা অনেকেই তেমন জানি না। কিন্তু এসি ব্যবহারের জন্য এবং এসির কম্প্রেসার ভাল রাখার জন্য এই ব্যাপারগুলো জেনে রাখা ভাল।



কুল মোড: সাধারণত বাসা বাড়ি এবং অফিসের এসিতে আমরা সবাই কুল মোড ব্যবহার করে থাকি। কুল মোডকে বলা হয় এসির ডিফল্ট মোড। এই মোডে এসি চালালে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে আপনি কতটা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারবেন। এই মোডের আদর্শ তাপমাত্রা হল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসি চালালে এসির কম্প্রেসারে কম চাপ পড়ে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।



ফ্যান মোড: এই মোডে এসির কম্প্রেসার বন্ধ থাকে এবং ভেতরকার ফ্যান অনবরত ঘুরে বাতাস তৈরী করে। কম্প্রেসার বন্ধ থাকার কারণে এই মোডে এসি চালালে ঠান্ডা বাতাস বের হয় না এই জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় সব থেকে বেশি।



ড্রাই মোড: বছরের কিছু কিছু সময় আদ্রতা বেশি থাকার কারণে তাপমাত্রা কম থাকলেও ভ্যাপসা গরম অনুভূত হয়। সমুদ্রের আশেপাশের এলাকাগুলোতে আদ্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে এবং শুধুমাত্র এই আদ্রতার কারণে এসি চালিয়েও স্বস্তির পরশ মেলে না। ড্ৰাই মোড বাতাসের অতিরিক্ত আদ্রতা দূর করে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। এই মোডে বাতাস থেকে অতিরিক্ত আদ্রতা দূর করে দেবার জন্য এসির ফ্যানের গতিবেগ কম থাকে এবং কম্প্রেসার কিছু সময়ের জন্য চালু থাকে। এতে আপনার ঘর একেবারে ঠান্ডা হয়ে যায় না আবার গরমও থাকে না। ফ্যান মোডের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য আরেকটি ভাল উপায় হচ্ছে ড্ৰাই মোড। তবে মনে রাখতে হবে ড্ৰাই মোড বাতাসকে একেবারে শুকিয়ে ফেলে না বরং যতটুকু আদ্রতা কমলে শরীরে আরাম হয় ঠিক ততটুকু আদ্রতা কমিয়ে ফেলে।



কুইক কুল মোড: এসির আদর্শ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সেটা আগেই বলেছি। এখন যে মোডের কথা বলব, এতে বিদ্যুতের ব্যবহার হয় সবচেয়ে বেশি। ঘরের তাপমাত্রা যদি ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর বেশি হয় তখন দ্রুত ঘর ঠান্ডা করার জন্য এই মোড ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কুইক কুল মোডে ১৬-১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এসি চলে এবং কিছুক্ষনের মধ্যে ঘরের তাপমাত্রাকে কমিয়ে আন

অভিনন্দন বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ড ৩-০ ব্যবধানে বাংলাওয়াশ। এমন জয় সব সময় আসুক।আর ইতিহাস রচিত হোক বাংলার ক্রিকেট ...
14/03/2023

অভিনন্দন বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ড
৩-০ ব্যবধানে বাংলাওয়াশ।
এমন জয় সব সময় আসুক।আর ইতিহাস রচিত হোক বাংলার ক্রিকেট এর।শুভ কামনা

সীতাকুণ্ড, সায়েন্সল্যাব, সিদ্দিকবাজার- অল্প কয়েকদিনের ভেতরেই ঘটলো হৃদয়বিদারক সব দুর্ঘটনা। নিরীহ মানুষগুলো মারা যাচ্ছেন, ...
07/03/2023

সীতাকুণ্ড, সায়েন্সল্যাব, সিদ্দিকবাজার- অল্প কয়েকদিনের ভেতরেই ঘটলো হৃদয়বিদারক সব দুর্ঘটনা। নিরীহ মানুষগুলো মারা যাচ্ছেন, হতাহত হচ্ছেন। পবিত্র এই রাতে আমরা এই মানুষগুলোর জন্য দোয়া করি, দেশের জন্য দোয়া করি। আমাদের চারপাশের সবাই ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক।আমিন।

ছবি কথা বলে!ভালো থাকুক সব বাবা❤️❤️❤️
25/02/2023

ছবি কথা বলে!
ভালো থাকুক সব বাবা❤️❤️❤️

এভাবে ফিরে আসা যায়?????রবীন্দ্রনাথ নাথ??
19/02/2023

এভাবে ফিরে আসা যায়?????রবীন্দ্রনাথ নাথ??

"গণভবন"গণভবন হলো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। এটি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদের উত্তর কোণে অবস্থিত। অ...
11/02/2023

"গণভবন"

গণভবন হলো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। এটি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদের উত্তর কোণে অবস্থিত। অন্যান্য দেশের মত গণভবন শুধু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) নয় বরং এটি সরকারের একটি মন্ত্রণালয় হিসেবে বিবেচিত যা প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমর্থন প্রদান, গোয়েন্দা সংস্থা পরিচালনা, এনজিও, প্রোটোকল এবং অন্যান্য দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করে থাকে। ১৯৯০ থেকে পুরোনো এই জাতীয় সংসদ ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সাধারণতঃ এখানে প্রতিদিন সরকারী কার্যাবলী সম্পাদন করেন এবং এখানেই মন্ত্রীপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে বাংলাদেশ সচিবালয়েও প্রধানমন্ত্রীর সরকারি দফতর রয়েছে যেখানে তিনি মাঝে মাঝে গমন করেন, সরকারী কার্যাদি সম্পাদন করেন এবং মন্ত্রিপরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করেন। গণভবন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় অধ্যায়। আগামী একশ বছর পরে এই গণভবন আমাদের ঐতিহ্য আহসান মঞ্জিলকেও ছাড়িয়ে গণভবনের নাম সবার উপরে স্থান পাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে। অনেক যতœ আর সৃষ্টিশীলতা দিয়ে ভবনটিকে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
গণভবনের ইতিহাস : ১৯৮২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গণভবনটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মিন্টো রোডের প্রেসিডেন্ট হাউসে অফিস করতেন। প্রেসিডেন্ট হাউস তখনো গণভবন নামে পরিচিত ছিলো। প্রেসিডেন্ট হাউস বর্তমানে সুগন্ধা ভবন নামে পরিচিত। বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সুগন্ধায় সান্ধ্যকালীন অফিস করতেন। বর্তমানে সুগন্ধা ভবনে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমী অফিস। স্বাধীনতার পর বৃটেনের রাণী ২য় এলিজাবেথের প্রথমবার বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তিনি এই ভবনে রাত যাপন করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট ভবনে বঙ্গবন্ধু অনেক কষ্ট করে অফিস করতেন। সেখানে তার সকল স্টাফদের জন্য স্থান সংকুলান হতোনা। সেই অফিস ভবন ছোট হবার কারণেই বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে শেরে বাংলা নগরে সংসদ ভবনের পাশে তাঁর বাসভবন ও সচিবালয় নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেন। গণভবন বঙ্গবন্ধুর সরকারি বাসভবন হলেও তিনি কখনো গণভবনে রাত যাপন করতেননা। তিনি থাকতেন তাঁর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে।
১৯৭৩ সালে গণভবন নির্মাণকালে গণপুর্ত মন্ত্রী ছিলেন সোহরাব হোসেন। গণপুর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন আবুল বাশার। সরকারের নির্দেশে কেউ একক ভাবে গণভবনের নকশা করেননি। যদিও নকশাটির মুল অংশটি তৈরী করেছিলেন-প্রকৌশলী খবিরুদ্দীন বেগ। কিন্তু পুরো নকশাটি করেন স্থাপত্য বিভাগের কয়েকজন প্রকৌশলী মিলে। নির্মাণ কাজের তদারকি করেন স্থপতি আমির হোসেন। গণভবনের ঠিকাদার ছিলেন কুষ্টিয়ার আতা মোহাম্মদ মুসা। গণভবন নির্মান কাজ সম্পন্ন হলে বঙ্গবন্ধু সেখানে সান্ধকালীন অফিস করতেন। সেখানে তিনি বিদেশী অতিথি, কূটনীতিক সহ বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাক্ষাৎ দিতেন গণভবনের পাশে বঙ্গবন্ধুর সচিবালয়ের একটি একতলা ভবনে। পাকিস্তান আমলে এটি ছিল এমএলএ ভবন। তখন জাতীয় সংসদের অধিবেশন হতো বর্তমান তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। এই ভবনটিকেই বর্ধিত করে তৈরী করা হয় বঙ্গবন্ধু সরকারের সচিবালয়। এখানেই প্রধানমন্ত্রীর সচিব, রাজনৈতিক সচিব, ক্যাবিনেট সচিব, সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের অফিস ছিল। বঙ্গবন্ধু মিন্টো রোডে প্রেসিডেন্ট হাউজে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত অফিস করতেন। তারপর চলে আসতেন শেরে বাংলা নগরের সচিবালয়ে। সেখানে রাত ৯/১০টা পর্যন্ত অফিস করতেন। ওখানেই তিনি দুপুরে কিছু সময় বিশ্রাম নিতেন, সময় সুযোগ পেলে বিকেলে লেকে মাছের খাবার দিতেন, লনে একটু হাটাহাটি করতেন। গণভবন বঙ্গবন্ধুর সরকারি বাসভবন হলেও তিনি রাতে ওখানে থাকতেন না। উচ্চপদস্থ্যদের মধ্যে পরিবার পরিজন নিয়ে থাকতেন তাঁর সামরিক সচিব কর্ণেল সাফায়েত জামিল। ১৯৭৫ সালের সেনা অভ্যুত্থানের সময় কর্ণেল জামিল যখন বঙ্গবন্ধুর সাহায্যে ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন-তখন বিদ্রোহীদের গুলিতে শহীদ হন।
৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শহীদ হবার পর থেকে গণভবনে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনের মুল এলাকায় সকল কার্য্যক্রম বন্ধ ছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সচিবালয়ের কিছু অংশ শিক্ষা অধিদফতর, পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন ট্রেইনিং সেন্টার, বি আর টি এ, নির্বাচন কমিশন সহ অনেক সরকারি অফিস হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়। তবে প্রথম সার্ক সম্মেলন উপলক্ষে ১৯৮৫ সালে এরশাদ সরকার গণভবন সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। সংস্কার শেষে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ভবনটি গণভবন হিসেবেই পরিচিত ছিল। এরশাদ সরকার ভবনের নাম পরিবর্তন করে নামকরন করেন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন করতোয়া। তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মিঃ রাজীব গান্ধী বাংলাদেশ সফরে এলে তিনি এই ভবনেই রাতযাপন করেন। ১৯৮৮ সালে এরশাদ সরকার আবারো ভবনটির সংস্কার কাজ করেন। ভবনটিকে নতুন সাজে সজ্জ্বিত করণের কাজ সম্পন্ন করে কঙ্কর্ড গ্রুপ।
নতুন করে গণভবন সংস্কারের পর তৎকালীন এরশাদ সরকারের প্রধানমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং কাজী জাফর আহমেদ সেখানে অফিস করেন। তখন রাষ্ট্রপতি এরশাদ দুই ঈদের সময় গণভবনে সাধারণ জনগণের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছিলেন। এরশাদ যুগের অবসানের পর ক্ষমতাসীন হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার। বিএনপি সরকারও ওই ভবনের নাম অপরিবর্তিত রাখে।
গণপূর্ত ও স্থাপত্য বিভাগ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতি বছর ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেন। গণভবন সংরক্ষণ ব্যয় ছাড়াও এককালীন বিশেষ বরাদ্দ ৮ কোটি টাকা ব্যয় করে সংস্কার করে গণভবনকে আধুনিকায়ন করেছে। গণভবনের বর্তমান আধুনিকায়নের ভিতরে উল্ল্যেখযোগ্য হলো-ব্যাংকোয়েট হল নির্মাণ, ভবনের মেঝেতে লাগানো পুর্বের কার্পেট সরিয়ে সমজাতীয় টাইলস, মার্বেল পাথর স্থাপন, দরজা জানালায় সুদৃশ্য বিদেশী দামী পর্দা লাগানো, ভবনের অভ্যন্তরের কৃত্রিম লেকের সংস্কার, মুল গেটের পাশে একটি ভবন নির্মাণ করা যেখানে প্রেসব্রিফিং কক্ষ, নিরপত্তা বাহিনীর জন্য কয়েকটি কক্ষ করা হয়েছে। গণপুর্ত অধিদফতর জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় গণভবন চমৎকার স্থাপত্যশৈলীতে সাজানো হয়েছে-যাতে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে গণভবনের ঐতিহ্য চিরঞ্জীব থাকে।
১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে নিজ নামে গণভবন কিনে নেন। ক্যাবিনেটের নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়। যার নামে বাড়িটি বরাদ্দ হবে তিনি সেই সভায় সভাপতিত্ব করার ফলে বিষয়টি জনমনে খুবই দৃষ্টিকটু বলে আখ্যায়িত হয়। যা নিয়ে তখনকার দেশী-বিদেশী মিডিয়া খুব তৎপরতা দেখালে "আমাদের এতোসব কথা শুনতে ভালো লাগেনা" বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে গণভবন ছেড়ে চলে যান। ক্যাবিনেটের সভায় সিদ্ধান্ত নেয়ার পর এ ব্যাপারে বাকি আনুষ্ঠানিকতা সমাপ্ত করে যেতে পারেনি আওয়ামী লীগ সরকার। তাদের ধারণা ছিল পরবর্তী সরকারও তারাই গঠন করবে, তখন বাকি আনুষ্ঠানিকতা সমাপ্ত করবে।
পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমান গণভবন সংক্রান্ত ওই সিদ্ধান্তটি বাতিল করেন। পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসার সব ধরনের প্রস্তুতির ছক লণ্ডভণ্ড করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ১৭ জন সচিবকে প্রথম রাতেই বদলি করেন প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমান। ১ টাকার বিনিময়ে গণভবন লিজ নেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত। এই দুটি সিদ্ধান্তই জনগণের প্রশংসা অর্জন করে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে জনগণের মনে আস্থার সৃষ্টি হয়।
তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ফখরুদ্দীন আহমেদ গণভবনে উঠবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেজন্য ভবন সংস্কারের উদ্যোগও নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। পরে প্রধান উপদেষ্টা ঐ ভবনে উঠবেন না বলে সিদ্ধান্ত হলে সংস্কার কাজ পরিত্যাগ করা হয়।
এরপর পুনরায় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে গণভবন রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে শেখ হাসিনার নামের বরাদ্দ বাতিল করে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণভবনের নাম পরিবর্তন করে প্রাইম মিনিস্টারস্ অফিস নামকরণ করেছিলেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া ঐ অফিস ব্যবহার করতেননা। তিনি ওখানে ইয়াতীম ও সাধারণ মানুষের সাথে ২ বার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান করেছিলেন। গৃহায়ন ও গণপুর্ত মন্ত্রণালয়ের এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফারহিনা আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়-রাষ্ট্রপতির আদেশে ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরের বি-ব্লকের ৫ নং প্লটে অবস্থিত ভবনটিকে গণভবন হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হলো।
বর্তমান সংস্কার কাজে প্রধানমন্ত্রীর সুরুচীশীলতারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন গণপুর্ত স্থাপত্য বিভাগের প্রকৌশলীগণ। গণপুর্ত অধিদফতর জানায়, গণভবন রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি। তাই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ছাড়া সেখানে কোন প্রকার সংস্কার, নির্মাণ, উন্নয়ণ কাজ করা সম্ভব হয় না।
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর বর্তমান সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৮ মাস সময় লেগেছে। গণপুর্ত অধিদফতরের প্রধান স্থাপতি এ এস এম ইসমাইল জানিয়েছিলেন সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবার পর এই ভবনের স্থাপত্য সৌন্দর্য্য ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বর্তমানে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে গণভবনের ভিতরে মুল গেটের পাশে আলাদা একটি ভবন তৈরী করা হয়েছে। সেই ভবনে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের সহযোগিতার জন্য আছে- প্রেস সেল। সাংবাদিকরা যাতে সহজে সংবাদ পাঠাতে পারেন সেজন্য সেখানে আছে টেলিফোন, কম্পিউটার, ফ্যাক্স ও ইন্টারনেটের অত্যাধুনিক ব্যবস্থা।
নতুন এই ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সব কর্মকর্তা, নিরাপত্তায় নিয়োজিত এসএসএফ, পিজিআর, আর্মড পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্যও আলাদা আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সচিব, সামরিক সচিবের জন্য করা হয়েছে আলাদা আলাদা অফিস ভবন। নতুন করে গণভবনে তৈরী হয়েছে ১৩০ আসনের একটি ব্যাংকোয়েট হল। গণভবনের রক্ষণাবেক্ষণ ও সেবা সার্ভিসের জন্য জন্য রয়েছে পিডব্লিউ, সিভিল ও ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অফিস। এখানে কর্মরত রয়েছে ৪৫ জন কর্মকর্তা কর্মচারি।
গণভবনে যা আছে: গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীর তথ্য মতে গণভবনের পুর্ব আয়তন ছিল ২২ একর। মুল ভবনের আয়তন ১৫ একর। গণভবন রক্ষণাবেক্ষণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য ৪ একর এবং ৩য়, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আবাসনের জন্য ৩ একর জায়গা ব্যবহার করা হয়েছে। বিশ্ববিখ্যাত স্থাপতি মিঃ লুই আই কান এর থিউরি মতে উন্নতমানের সিরামিক ইটে নির্মাণ করা হয়েছে গণভবন। গণভবনের মুল ভবনের উপর ও নীচতলা মিলিয়ে আয়তন ৩৭ হাজার বর্গ ফুট। এখন মুল ভবনের সাথে বর্ধিতাংশ করে ব্যাংকোয়েট হল নির্মাণ কাজ শেষে গণভবনের মোট আয়তন দাঁড়িয়েছে ৫৭ হাজার বর্গফুটে। দোতলা গণভবনের ওপর-নীচ তলায় রয়েছে বিশাল সাইজের ছয়টি রুম। উপর তলায় আরো আছে বিলাসবহুল ৫টি স্যুইট এবং নীচ তলায় আছে ৬টি স্যুইট। উপরের তলায় অনেক বড় একটা রুমের নাম সেন্ট্রাল রুম এবং অন্য আর একটা রুমের নাম কনফারেন্স লাউঞ্জ। নীচ তলায় প্রধান মন্ত্রীর অফিস কক্ষ। রুমের ভিতরটা পুর্বে মোজাইক করা ছিল। বর্তমানে মোজাইক তুলে গ্রানাইট টাইলস বসানো হয়েছে। অফিস কক্ষের দুই পাশে দুটি করিডোর এবং লাউঞ্জ সম্পুর্ণ মার্বেল পাথরে গড়া। এতোদিন ভবনে কোন জীম ছিলনা। বর্তমানে একটি অত্যাধুনিক জীম স্থাপন করা হয়েছে। ভবনটিতে কিচেনরুম, ড্রইংরুম, স্টোররুম ছাড়াও আরো তিনটি রুম রয়েছে। ভবনের ভিতরে হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য হেলিপ্যাড। ২ টি গোলাপ বাগান, ২ টি বারোয়ারী ফুলের বাগান, ফলজ বাগান ছাড়াও রয়েছে বিশাল লন। গণভবনের উত্তর প্রান্ত থেকে দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি মনোরম লেক। লেকের পশ্চিম দিকে রয়েছে শান বাধানো সুদৃশ্য ঘাট। বর্তমানে এই লেকটিকেও সংস্কার করা হয়েছে। এই লেকে মাছ চাষ করা হয়।
অবস্থান: গণভবন মিরপুর সড়কের পশ্চিম পাশে ও লেক সড়কের ক্রসিং-এ অবস্থিত এবং জাতীয় সংসদ ভবন থেকে পাঁচ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত। এই অঞ্চলটি ঢাকার সবচেয়ে নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকা। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাতীয় সংসদের দূরত্ব সামান্য। বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনাকে গণভবনটি জাতির জনকের পরিবারের নিরাপত্তা আইন অনুসারে প্রদান করেছে। ১৩ই অক্টোবর ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধুর সরাসরি উত্তরাধিকারীদের জন্য নিরাপত্তা আইনটি সংসদে পাস হয়।

🧊গাভী বীজ না রাখার(কনসিভ না করার) কারনঃ_____________________________________  আমাদের দেশের বেশিরভাগ খামারি ভাইদের গাভীর ...
09/02/2023

🧊গাভী বীজ না রাখার(কনসিভ না করার) কারনঃ
_____________________________________
আমাদের দেশের বেশিরভাগ খামারি ভাইদের গাভীর ঋতু চক্র সম্পর্কে ধারণা না থাকার কারণে তারা সময়মতো গাভিকে বিজ দিতে ব্যর্থ হয় ফলে গাভী কনসিভ করে না। যদি খামারী ভাইয়েরা গাভির ঋতু চক্র সম্পর্কে ধারনা নিতে পারে তাহলে অনেকাংশে সফল হবে।

ঋতু চক্রের চারটি ধাপ রয়েছে
প্রথম টি Pro_ Estrous বা প্রস্তুতি পর্ব
দ্বিতীয় টি Estrous বা উত্তেজনা পর্ব
তৃতীয়টি - Meta_ Estrous কাম উত্তেজনা পর্ব
৪র্থ টি Di-Estrus নিষ্ক্রিয় পর্ব.

১.প্রস্তুতিপর্ব( pro-Estrous)ঃ

গাভী হিটে আসার তিন দিন পূর্ব থেকে খাওয়া-দাওয়া কম খাবে ঝিমানি ভাব থাকবে।গাভীর যোনি মুখ দিয়ে স্বচ্ছ পাতলা ঝিল্লি বের হবে।

২.যৌন উত্তেজনা পর্ব ( Estrous):

এই পর্ব ১ দিন স্থায়ী থাকে। আর আমাদের খামারি ভাইয়েরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই পর্বেই বিজ দিয়ে থাকেন যার ফলে সমস্যাটার জন্ম নেয় এখান থেকেই। এই পর্বে বিজ দিলে কন্সেপ্ট না করার হার ৯৮%.

লক্ষনঃ
* গাভি ঘন ঘন প্রসাব করবে
* অন্য গাভির উপর লাফিয়ে উঠবে
*অন্য গাভীর যৌনাঙ্গ শুকতে থাকবে।
* দুধ উৎপাদন কমে যাবে

৩. কামত্তোর পর্ব( Meta _ Estrous)ঃ
এটি খামারি ভাইদের জন্য স্বর্ন যুগ বা সঠিক সময়। এই পর্বের স্থায়িত্ব কাল ১থেকে ২দিন।এই পর্বেই বিজ দেয়ার সঠিক সময়। এই সময় বিজ দিলে কন্সেপ্ট করার হার ৯৯%. এই পর্বের প্রধান লক্ষন গাভীর যোনি পথ দিয়ে অনেক সময় রক্ত মিশ্রিত ঝিল্লি বের হয়। আপনি মনে রাখবেন আপনার গাভীর Estrous পর্ব দেখা দেয়ার ১২ ঘন্টা পর বিজ দিবেন।অর্থাৎ সকালে হিট আসলে বিকালে( ৫/৬) টায় বিজ দিবেন। যদি গাভিটি পুর্বে হিট মিছ করে থাকে তাহলে সেই গাভিকে অবশ্যই পরের দিন সকালে আবার বিজ দিবেন।

শেষ পর্ব( Diestrous) ঃ
এটি থাকে ১৫ দিন। যদি আপনার গাভিকে বিজ না দেন তাহলে গাভির জরায়ু থেকে বের হওয়া ডিম্বানু মারা যাবে এবং গাভির সমস্ত জনন অঙ্গ স্বাভাবিক হবে। এর পর কয়েক দিনের মধ্যে আবার সাইকেল বা চক্র শুরু হবে।
আপনার খামার সফল হোক, বিনিয়োগ নিরাপদ হোক !

(কপিপোস্ট)

গুরুত্বপূর্ণ_তথ্যঃ১। চিত্র (১) যদি বিভাজিত, মাঝে মাঝে কাটা কাটা সাদা দাগ থাকে তাহলে বুঝবেন আপনি ওভারটেক করতে পারবেন।২। চ...
08/02/2023

গুরুত্বপূর্ণ_তথ্যঃ

১। চিত্র (১) যদি বিভাজিত, মাঝে মাঝে কাটা কাটা সাদা দাগ থাকে তাহলে বুঝবেন আপনি ওভারটেক করতে পারবেন।

২। চিত্র (২) যদি দাগ এক টানা হয়ে থাকে তাহলে বুঝবেন ওভার টেক করা ঝুঁকিপূর্ণ।

৩। চিত্র (৩) যদি দাগ ডাবল ভাবে দেওয়া থাকে তাহলে ভুলেও ওভারটেক করার চেষ্টা করবেন না। এটা বিপদজনক হতে পারে।

ধন্যবাদ।

Address

999/1 North Ibrahimpur, Dhaka Cantonment, Kafrul
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mostafiz's World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mostafiz's World:

Share