08/07/2023
বাংলাদেশ রেলওয়েতে এখন বিমান বন্দর সহ দেশের বিভিন্ন স্টেশনে স্টেন্ডটিং টিকেটের কালোবাজারী। শুনতে খুব অবাক মনে হলেও এটিই এখন বাস্তব।আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর পূর্বে ট্রেনের কোন সীট নির্ধারিত ছিল না।সীট পাওয়া ছিল এক ধরনের জুলুম।তা থেকে পরিত্রানের জন্য সীট প্লানিং করা হলো।টিকেটে সীটের নাম্বার দিয়ে দেওয়া হলো।কিছু দিন পর দেখা সীট ওয়ালা টিকেট রেল কর্মকর্তাদের যোগসাজসে চলে যাচ্ছে সব কালোবাজারীদের হাতে যা উচ্চ মূল্যে ক্রয় করতে হতো যাত্রীদের।অনেক লেখালেখির পর এ থেকে পরিত্রানের জন্য আসলো ৫০% টিকেট অনলাইনে অগ্রীম পারচেজ।এটাও কালোবাজারীদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারল না।ওপেনিংএর এক মিনিটের মধ্যেই সব টিকেট ওদাও হয়ে যায় কালোবাজারীদের হাতে।তখন এলো ১০০% অন লাইন টিকেট এবং প্রত্যেক টিকেটে ভোটার আইডি থাকতে হবে।কোন টিকেটে আইডি না থাকলে ঐ যাত্রীকে টিকেট বিহীন ধরা হবে এবং তার ভাড়া নির্ধারণ করা হবে যে স্টেশন থেকে গাড়ি ছাড়বে এবং যাত্রীর গন্তব্য স্থানের দুরত্বের ভাড়ার কয়েক গুন সঙ্গে জরিমানা।এই ভাড়ার একটি অংশ সরকারি ভাবেই পাবেন টিটি সাহেব।এদিকে কাউন্টার থেকে কোন স্টেন্ডিং টিকেট দিবে না।ফলে টিটি সাহেবদের হলো মহা সুবিধা।কারন মানুষকেত যেতেই হবে। কমিষনের টাকা তাদের পকেটে আর আটে না।তখন মানুষ বিদ্রোহ করা শুরু করলে স্টেন্ডিং টিকেট আবার চালু করল।এতে টিটি সাহেবদের পকেট আগের মত আর ভরছে না।তাদের যোগসাজসে কাউন্টার ম্যানদের সঙ্গে একটি সিন্ডিকেট তৈরি হলো।আধা ঘন্টা পূর্বেই কাউন্টারে স্টেন্ডিং টিকেট বন্ধ করে দেওয়া।এই সুযোগে টিটি সাহেবরা আবার কমিশন বই নিয়ে গেটে দাঁড়িয়ে থাকে পেনাল্টি টিকেট কাটার জন্যে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীরা যাবে কোথায়।এ পরিস্থিতিত জমির আইলে আইলে আন্তা পেতে নতুন পানির মাছ ধরার মত।১০০% টিকেট অনলাইন করেছে সেখানে স্টেন্ডিং টিকেট অনলাইন করলে অসুবিধা কি ছিল।তাতে সরকার এবং যাত্রী সকলেরই সুবিধা হতো।