24/07/2015
১। প্রতিদিন একটি পাকা টমেটো খেলে শরীরের রক্ত কনিকা বাড়ে, ফলে ত্বক পরিস্কার হয়।
২। ছোট এলাচ, খেজুর ও আঙ্গুর একসঙ্গে পিষে মধু মিশিয়ে খেলে হাপানির কষ্ট কমে।
৩। কাচা হলুদ গরম করে গন্ধ শুকলে সর্দি–কাশিতে উপকার পাওয়া যায়।
৪। জিভে ঘা হলে, পানির সাথে কর্পূর গুলে জিভ কয়েকদিন ধুলে জিভের ঘা ভাল হয়।
৫। ডায়াবেটিস কমাতে কাচা ঢেড়স পানিতে ভিজিয়ে এর আঠালো পানি সকালে খান।
৬। গায়ে খোস–পাচড়ার দাগ হলে, সেই জাযগায় মাখন প্রতিদিন মালিশ করুন।
৭। গোল–মরিচ মিহি করে বেটে নিয়ে প্রতিদিন মধু মিশিয়ে খেলে শ্বাস–কষ্টে ভাল হয়।
৮। স্মরণশক্তি বাড়াতে ২/৩ চা–চামচ থানকুনি পাতার রস, আধাকাপ দুধ ও সামান্য মধু খান। ভরা
পেটে খেতে হবে এবং বয়স অনুযায়ী মাত্রা কম–বেশী করতে হবে।
৯। কৃমি হলে পুদিনা পাতা বেটে এর সাথে মধু–লবণ মিশিয়ে খান।
১০। ঠান্ডা, অতিরিক্ত গরমে বা এলার্জি জনিত কারণে গলা বসে গেলে ১ গ্রাম কাবাব চিনি গুড়াকরে
১ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে চাটনির মত দিনে কয়েকবার চুষে খান।
১১। মেসতা হলে দারুচিনি গুড়া ১–৩ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে সারারাত ১ গ্লাস গরম পানিতে ভিজিয়ে
রাখুন । পরদিন ঐ পানি ছেকে সকাল–সন্ধ্যা পান করুন।
১২। হাপানির জন্য কাচা হলুদ শুকিয়ে গুড়া করে, আখের গুড় ও সামান্য সরিষার তেল মিশিয়ে
চেটে খাবেন।
১৩। দাতের মাড়িতে ঘা হলে, হাতিশুড়ো গাছের পাতার রস সকালে–রাতে শুবার সময় আক্রান্ত
স্থানে লাগালে দ্রুত ভাল হয়।
১৪। হঠাৎ কেউ অজ্ঞান হলে, পুদিনা গাছের ফল রোগীর নাকের কাছে ধরলে তাড়াতাড়ি জ্ঞান
ফিরে আসে।
১৫। কেটে গিয়ে ক্ষত সৃষ্টি হলে থানকুনি পাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে ঐ জায়গা ধুলে ভাল হবে।
১৬। ‘চিকেন পক্স’ হলে ৫/৬ গ্রাম মেথি ৩ কাপ পানিতে ১০/১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। সারাদিন
অল্প অল্প করে সেই পানি পান করলে ব্যথা/চুলকানি কমবে।
১৭। চুলকানি জাতীয় চর্মরোগে নিমপাতা ও কাচা হলুদ বেটে গোসলের আধাঘন্টা আগে লাগালে
ভাল হবে।
১৮। রক্ত–আমাশয়ে ডুমুর গাছের শিকড়ের রস দিনে ২ বার খান ।
১৯। দাতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।
২০। দাতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাত থেকে রক্ত পড়লে, জামের বিচি গুড়া করে দাত মাজলে
উপকার পাবেন।
২১। ফোড়া হলে তা অনেক সময় না পেকে শক্ত দলার মত হয়ে যায়। কলমি শাকের কচি ডগা
ও শিকড় একসঙ্গে বেটে, ফোড়ার লেপে দিয়ে দীর্ঘক্ষন রেখে দিন। ফোড়া পেকে যাবে।
২২। মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে, চালতা গাছের পাতা ও মুলের ছাল সমপরিমান একসঙ্গে বেটে
হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
২৩। ঠোটের দুপাশে এবং মুখের ভিতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে
অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।
২৪। পুদিনা পাতা ডালসহ ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে, সেই পানি ছেকে খেলে পেট ফাপা
ভাল হবে।
২৫। অনেকের গায়ের ঘামে দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সংগে মিশিয়ে গা মুছলে এটা
কমবে।
২৬। মাথা ব্যথা হলে, কালজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেধে শুকতে থাকুন।
২৭। ২ টুকরা দারুচিনি ১টি এলাচি, ২টি তেজপাতা ,২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে
ছেকে নিন। হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।
৩০। দাতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে , ব্যথা কমে।
৩১। দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসাবে কাজ করে। এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র , কয়েক চামচ
দই খেয়ে নিন।
৩২। গলায় মাছের কাটা লেগে গেলে, অর্ধেক লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন। কাটা নরম হয়ে
নেমে যাবে।
৩৩। ছুরি/দা/বটি তে হাত কেটে গেলে, এক টুকরা সাদা কাগজ কাটা জায়গায় লাগান। রক্ত
বন্ধ হবে।
৩৪। বাসক গাছের পাতা ও ছাল একসঙ্গে সিদ্ধ করে বেটে একটু মধু মিশিয়ে খেলে শ্বাসকষ্ট কমে।
৩৫। মুখে/জিভে সাদা ঘা হলে, পানির সাথে কর্পূর গুলে মুখ দিনে ২ বার ধুয়ে নিন।
৩৬। ডালিমের রসের সাথে ঘৃত–কুমারীর শাস মিশিয়ে খেলে ঘুম ভাল হয়।
সংগৃহীত।