01/04/2026
ইমরান সাহেব একটা খাট কিনলেন ত্রিশ হাজার টাকায়। খাট ভ্যান গাড়িতে করে নিয়ে বাসায় ফিরছেন। নিজেও বসেছেন ভ্যানগাড়িতে, পা ঝুলিয়ে। বাসার কাছাকাছি যখন গলির মোড়ে পৌছালেন তখন দেখা শাকিল সাহেবের সাথে।
শাকিল সাহেব হাঁক ছেড়ে জিজ্ঞাস করলেন, কি ইমরান ভাই কই থাইকা আসলেন?
এই তো ভাই, খাট কিনতে গেছিলাম, উত্তর ইমরান সাহেবের।
তা কত নিলো?
তিরিশ হাজার।
আপনি তো ভাই মা%*রা💫 খাইছেন।
কেন ভাই?
আরে, আমি তো গত সপ্তাহে এটাই কিনলাম। পঁচিশ হাজার নিয়েছিলো।
মনটাই খারাপ হয়ে গেলো ইমরান সাহেবের। পাঁচ হাজার টাকা ধরা খাইছেন!
কিছুদূর এগুতেই আবার দেখা পরিমল বাবুর সাথে। পরিমল বাবুও জিজ্ঞাস করলেন, কি ভাই কই গেছিলেন?
ভাই খাট কিনতে গেছিলাম।
তা ভাই কত নিলো?
পঁচিশ হাজার, চতুর উত্তর দিলেন ইমরান সাহেব।
ভাই আপনি তো মা%*রা💫 খাইছেন। গত পরশু আমার শালা কিনলো বিশ হাজার। সেইম খাট।
ইমরান সাহেবের মন আবার খারাপ হয়ে গেলো। দশ দশটা হাজার টাকা ধরা!
কিছুদূর এগুতেই আবার দেখা মল্লিক সাহেবের সাথে। উনিও কৌতুহলী, জিজ্ঞাস করলেন, ভাই কোথা থেকে আসলেন?
খাট কিনে আনলাম।
কত নিলো?
এই তো ভাই বিশ হাজার। অনেক দামাদামি করলাম। কিছুতেই আর কমায় না।
ভাই আপনি তো মা%*রা💫 খাইছেন। এই খাটের দাম কোনভাবেই পনেরোর বেশি হবে না।
ইমরান সাহেবের মেজাজ তো এবার সপ্তমে। খাটের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে! একেবারে বাড়ির সামনে এসে দেখা কালু মিয়ার সাথে। কালু মিয়াও স্বভাববশত জিজ্ঞাস করলেন, ভাই কোথায় থাইকা আইলেন?
রাগ সামলাতে না পেরে ইমরান মিয়া চিৎকার করে উঠলেন, মা%*রা🤬 খাইতে গেছিলাম, মা%*রা🤬 খাইয়া আসছি।
অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন কালুমিয়া। বুঝে উঠতে পারছেন না ইমরান ভাই এভাবে রেগে গেলেন কেনো! মিনমিন করে বললেন, ভাই আপনি তো বেশ লোক। নিজের গাটের পয়সা খরচ করে মা%*রা🤬 খেয়ে আসলেন! আবার বাড়ি থেকে ভ্যান ভাড়া করে খাটও নিয়া গেছিলেন!
©️