Ma Manasa Builders & M M B Distributors

Ma Manasa Builders & M M B Distributors The customer choice
for all your Building material needs

মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথি। শ্রীশ্রী সরস্বতী মায়ের পূজার দিন। সরস্বতী শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থে ‘সরস্+বতু’ স্ত্রী...
26/01/2023

মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথি। শ্রীশ্রী সরস্বতী মায়ের পূজার দিন। সরস্বতী শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থে ‘সরস্+বতু’ স্ত্রী লিঙ্গে ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত যোগে ‘সরস্বতী’। ‘সতত রসে সমৃদ্ধা’। তিনি শুক্লবর্ণা, শুভ্র হংস বাহনা, ‘বীণা-রঞ্জিত পুস্তক হস্তে’ অর্থাৎ এক হাতে বীণা ও অন্য হাতে পুস্তক। সেগুলোর গূঢ় রহস্য তথা যথার্থ তাৎপর্য হৃদয়ে ধারণ করে মাকে পূজার্চনা করা উচিত। নয়তো পূজার আড়ম্বরতা যতই হোক না কেন তা অর্থহীন। শিক্ষার্থীরা দেবী সরস্বতীর পূজা বেশি করে। কেন ? কারণ তিনি জ্ঞানদায়িনী বিদ্যার দেবী সরস্বতী। বিদ্যা দান করেন তিনি। মানুষ জ্ঞান পিপাসু। সর্বদা জ্ঞানের সন্ধান করে। ‘শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানং তৎপরঃ সংযতেন্দ্রিয়'(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা-৪/৩৯) অর্থাৎ শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি জ্ঞান লাভ করে থাকেন।

শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হয় কী ভাবে ? শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলার জন্য পারিবারিক শিক্ষা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বাল্যকাল থেকেই ধর্মীয় আচার-আচরণের শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। সনাতন ধর্মাবলম্বী ছোটদেরকে ধর্মীয় চেতনা দান করার জন্য শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা অন্যতম একটি উৎসব। পূজার আগের দিন সংযম পালন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের গভীর শিক্ষা দেয়। ছোটবেলায় শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজায় সংযমের দিন মাছ-মাংস পরিহার, নিরামিষ আহার, আতপ চালের ভাত খাওয়া, উপোস থাকা সম্ভব হবে কি-না এসব নিয়ে এবং পূজার দিন উপবাস থাকা, পুষ্পাঞ্জলি অর্পণে হয় আনন্দঘন এক আয়োজন!!! আর এ সময়ই একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী তথা কোমলমতি শিক্ষার্থী ও ধর্মীয় চেতনা পেয়ে থাকে।

শিক্ষার্থীসহ পূজিত সবাই যেন তার তাৎপর্য ও পূজার মূল আচরণে পূজিত হন সে কথা বিচার্য রেখে তার বর্ণনায় লক্ষ্য করা যাক:

দেবী শুক্লবর্ণা: শুক্লবর্ণ মানে সাদা রং। সত্ত্বগুণের প্রতীক ও হলো সাদা। পবিত্র গীতার চতুর্দশ অধ্যায়ের ৬নং শ্লোকে আছে ‘তত্র সত্ত্বং নির্মলত্বাৎ’ অর্থাৎ সত্ত্ব, রজঃ ও তমোগুণের মধ্যে সত্ত্বগুণ অতি পবিত্র গুণ, স্বচ্ছতার প্রতীক, নির্মলতার প্রতীক। আবার ওই অধ্যায়েরই ১৭নং শ্লোকে আছে, ‘সত্ত্বাৎ সংজায়তে জ্ঞানং’ অর্থাৎ সত্ত্বগুণে জ্ঞান লাভ হয়। তাই জ্ঞানময়ী সর্বশুক্লা দেবী শ্রীশ্রী সরস্বতী জ্ঞানে গুণান্বিত বলে তার গায়ের রং শুক্লবর্ণা অর্থাৎ দোষহীনা ও পবিত্রতার মূর্তি। আর জ্ঞানদান করেন বলে তিনি জ্ঞানদায়িনী। ‘নহি জ্ঞানেন সদৃশং পবিত্রমিহ বিদ্যতে'(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা-৪/৩৯) অর্থাৎ ‘জ্ঞানের মতো পবিত্র আর কিছু নেই’। আমরা ও যেন সে গুণের অধিকারী হতে পারি এ আমাদের প্রার্থনা।

হংসঃ জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর বাহন শ্বেতহংস। হাঁস অসারকে ফেলে সার গ্রহণ করে। দুধ ও জল মিশ্রণ করে দিলে হাঁস জল ফেলে শুধু দুধটুকু গ্রহণ করে নেয়। কিংবা কাঁদায় মিশ্রিত স্থান থেকে ও তার খাদ্য খুঁজে নিতে পারে। মায়ের সঙ্গে পূজিত হয়ে শিক্ষা দিচ্ছে- সবাই যেন সবার অসার বা ভেজাল/অকল্যাণকর পরিহার করে সার বা ভালো কিছু অর্থাৎ নিত্য পরমাত্মাকে গ্রহণ করেন এবং পারমার্থিক জ্ঞান অর্জন করে সুন্দর পথে চলতে পারি।

বীণাঃ ‘জীবন ছন্দময়’। বীণার ঝংকারে উঠে আসে ধ্বনি বা নাদ। বিদ্যাদেবী সরস্বতীর ভক্তরা সাধনার দ্বারা সিদ্ধি লাভ করলে বীণার ধ্বনি শুনতে পান। বীণার সুর মধুর। পূজার্থী বা বিদ্যার্থীর মুখ নিঃসৃত বাক্য ও যেন মধুর হয় এবং জীবন ও মধুর সংগীতময় হয় এ কারণেই মায়ের হাতে বীণা। হাতে বীণা ধারণ করেছেন বলেই তার অপর নাম বীণাপাণি।

পুস্তকঃ বিদ্যার্থীর লক্ষ্য জ্ঞান অন্বেষণ। আর সে জ্ঞান ও বিদ্যা অন্বেষণের জন্য জ্ঞানের ভাণ্ডার ‘বেদ’ তার হাতে রয়েছে। ‘বেদই বিদ্যা’। তিনি আমাদের আশীর্বাদ করছেন- ‘জীবনকে শুভ্র ও পবিত্র রাখ। সত্যকে আঁকড়ে রাখ। মূল গ্রন্থের বাণী পালন কর। জীবন ছন্দময় কর। স্বচ্ছন্দে থাক।’

উল্লেখ্য, প্রতিটি দেব-দেবীর প্রণাম-মন্ত্র ও পুষ্পাঞ্জলি প্রদান মন্ত্র আমাদের সবার জানা উচিত। আর তাই নিম্নোক্ত মন্ত্রগুলি বিদ্যার্থীদের অবশ্যই জানা উচিত।



সরস্বতী দেবীর প্রণাম ও পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্রঃ
ওঁ সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যাং দেহী নমোহস্তুতে।।
ওঁ ভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈই নমো নমঃ।
বেদ বেদান্ত বেদাঙ্গ বিদ্যাস্থানভ্যঃ এব চ
এষ সচন্দন পুষ্প বিল্বপত্রাঞ্জলি ওঁ ঐং সরস্বত্যৈ নমঃ।

বহু বীর যোদ্ধার বলিদানে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস পা দিল ৭৪ বছরে। আজ স্বাধীন আমাদের দেশ, স্বাধীন আমরাও। কিন্তু, আজও বহু মা...
26/01/2023

বহু বীর যোদ্ধার বলিদানে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস পা দিল ৭৪ বছরে। আজ স্বাধীন আমাদের দেশ, স্বাধীন আমরাও। কিন্তু, আজও বহু মানুষ এই দিনটির প্রকৃত তাৎপর্য ও ইতিহাস সম্পর্কে অবগত নন। ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস কেন পালন করা হয়, সেই সম্পর্কে অনেকই সঠিক তথ্য জানেন না।

অনেকেই এই দিনটিকে একটি সাধারণ ছুটি ও অনুষ্ঠানের দিনের মতোই পরিবারের সাথে পালন করে থাকে। কিন্তু কেন ছুটি থাকে? কলকাতার রেড রোড থেকে দিল্লির রাজপথ কেন সেজে ওঠে এইদিনে? তা অনেকেরই অজানা। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক, ভারতে কেন ২৬ জানুয়ারি 'প্রজাতন্ত্র দিবস বা সাধারণতন্ত্র দিবস' পালন করা হয়।

ভারতবর্ষ স্বাধীন হয় ১৯৪৭ সালের ১৫ আগষ্ট। স্বাধীনতার পরেও দেশের প্রধান হিসেবে বহাল ছিলেন ষষ্ঠ জর্জ এবং গভর্নর জেনারেল লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন। তখনও দেশে স্থায়ী সংবিধান না থাকার ফলে ঔপনিবেশিক ভারত শাসন আইনে কিছু রদবদল ঘটিয়েই চলতে থাকে দেশ শাসনের কাজ। পরে ১৯৪৭ সালের ২৮শে আগস্ট স্থায়ী সংবিধান রচনার জন্য ড্রাফটিং কমিটি গঠন করা হয়, যার চেয়ারম্যান ছিলেন ভীমরাও রামজি আম্বেডকর। ১৯৪৭ সালের ৪ নভেম্বর ড্রাফটিং কমিটি একটি খসড়া প্রস্তুত করে গণপরিষদে জমা দেয়। হাজারো লড়াইয়ের পর ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত হয় ভারতীয় সংবিধান। তার দু'দিন পর অর্থাৎ ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি কার্যকর হয় ভারতীয় সংবিধান। সেই থেকেই প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি পালিত হয়ে আসছে ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস। ভারতের এই সংবিধান গঠনে সময় লাগে প্রায় ২ বছর ১১ মাস ১৭ দিন।

উল্লেখ্য, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে ১৯২৯ সালে 'পূর্ণ স্বরাজ' ঘোষণার পর ১৯৩০ সাল থেকে ২৬ জানুয়ারিকে স্বাধীনতার দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে, পরে দিনটি পাল্টে গিয়ে ভারতবর্ষে যেদিন স্বাধীনতার পতাকা উদিত হয়েছিল, সেইদিনটিকেই স্বাধীনতার দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। ঘটনাচক্রে, দিনটি ছিল ১৫ অগাস্ট। যার ফলে পাল্টে গিয়েছিল ২৬ জানুয়ারির গুরুত্ব। সংবিধান রচনার পর তা কার্যকর করার জন্য একটি দিনের প্রয়োজন ছিল। তখন ঐতিহাসিক গুরুত্বের বিচারে ২৬ জানুয়ারিকেই বেছে নেওয়া হয় প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে।

২৬ জানুয়ারি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১) ভারতীয় সংবিধানের আসল খসড়াটি আজও সংরক্ষিত আছে সংসদ ভবনে। যেটি দুটি ভাষায় রচিত হয়েছিল - ইংরাজি এবং হিন্দিতে।
ভারতীয় সংবিধানকে পৃথিবীর দীর্ঘতম সংবিধান বলা হয়। এটি ২২টি অংশ ও ৪৪৮ নিবন্ধে রচিত।

৩) সংবিধানের এই খসড়া তৈরিতে কাজ করেছিল ড্রাফটিং কমিটি।

৪) সংবিধান রচনার ক্ষেত্রে কাজ করেন ৩০৮ জন সদস্য।

৫) চূড়ান্তভাবে সংবিধান গৃহীত হওয়ার আগে গণপরিষদে এই খসড়া সংবিধানটি নিয়ে আলোচনার জন্য ১৬৬ বার অধিবেশনে ডাকা হয় সদস্যদের।

৬) প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণটি ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রদান করেন এবং স্বাধীনতা দিবসের দিনটিকে সম্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

৭) ১৯৫০ সালে সংবিধান রচনার পর ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

সারা দেশজুড়ে এই দিনটি অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে পালন করা হয়। কলকাতার রেড রোড থেকে দিল্লির রাজপথ সেজে ওঠে এই দিনে। সেনাদের কুচকাওয়াজের মাধ্যমে পালন করা হয় প্রজাতন্ত্র দিবস। পাশাপাশি আমন্ত্রিত থাকেন কোনও এক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। ২৯ জানুয়ারি বিটিং দ্য রিট্রিট-এর মাধ্যমে প্রজাতন্ত্র দিবসের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হয়। ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিনটি প্রধান শাখা অর্থাৎ, ভারতীয় স্থলসেনা, ভারতীয় নৌবাহিনী এবং ভারতীয় বায়ুসেনা এই রিট্রিটে অংশ নেয়। কেন্দ্রীয় সচিবালয় ও রাষ্ট্রপতি ভবনের নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লকের মধ্যবর্তী রাইসিনা হিল ও বিজয় চকে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

Source - Internet

23/01/2023

"তোমরা আমায় রক্ত দাও
আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো" ❤️🇮🇳
ভারতবর্ষ তথা বাঙালির গর্ব নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু-⭐১২৬ তম জন্মদিবসে তোমার চরণে জানাই শত কোটি প্রনাম

31/12/2022

Wishing all of you a very Happy New Year 2023.

Merry Christmas to all of you. We wish all of you all the happiness and success
24/12/2022

Merry Christmas to all of you. We wish all of you all the happiness and success

24/12/2022

We are Welcome all of you to Ma Manasa Builders & M M B Distributors . We have all kind of Building material under one roof.

Address

Paddmabila Thakurbari
Chakdaha
741223

Opening Hours

Monday 8am - 9pm
Tuesday 8am - 9pm
Wednesday 8am - 9pm
Thursday 8am - 9pm
Friday 8am - 9pm
Saturday 8am - 9pm
Sunday 8am - 9pm

Telephone

+919732850320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ma Manasa Builders & M M B Distributors posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ma Manasa Builders & M M B Distributors:

Share